ক’দিন আগেই মাত্র ১২ ঘন্টায় ১০৫৭ জনের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক গড়ে বিশ্ব রেকর্ড করেছিলেন ওনলি ফ্যান মডেল এবং পর্ণ তারকা বনি ব্লু। ফের একবার তিনি খবরের শিরোনামে। এবার নাকি অন্তঃসত্ত্বা বনি ব্লু। ক’দিন ধরেই সমাজমাধ্যমে ভেসে বেড়াচ্ছে সেই সংক্রান্ত কিছু খবর। যদিও এরপরেই তিনি সত্যিই অন্তঃসত্ত্বা কিনা তা খোলসা করেছেন বনি নিজেই। কী বললেন তিনি?
ইনস্টাগ্রাম একটি পোস্ট করে বনি ব্লু জানান, গর্ভাবস্থা কখনও মিথ্যে কথা বলবেন না। তিনি যখন সন্তানের জন্ম দেবেন তা লাইভ স্ট্রিম করে দেখানো হবে। সেটাই হবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সন্তান জন্মের লাইভ স্ট্রিমিং।
প্রাথমিক ভাবে, বনি ব্লুর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে হঠাৎ অস্বাভাবিক ভাবে কিছু খাবারের পোস্ট দেখা যায়। কখনও চিকেনের ক্রেভিংস তো পরক্ষণেই আবার নুডলস বা চকোলেটের ক্রেভিংস হয় বনি ব্লুর। সেখান থেকেই শুরু হয় গুজবের।
বনিই নিজেই জানান যে তিনি অন্তঃসত্ত্বা নন। তবে এই বিষয়ে মজাও করেন। খানিকটা ঠাট্টা করে বলেন, “আমার সন্তানকে স্কুলে কোনও দিন বুলি হতে হবে না কারণ ওঁর ১০৫৭ জন বাবা আছে।”
অন্য একটি ভিডিওতে, বনি বলেন, “মাত্র আট মাসের মধ্যে, আমি বিশ্বের সবচেয়ে বড় জন্মের লাইভস্ট্রিম করতে পেরে উত্তেজিত।” তিনি ক্যাপশনে ব্যঙ্গ করে লেখেন, “চিন্তা করো না ছেলেরা, এর জন্য তোমাদের লাইনে দাঁড়াতে হবে না।”
ব্লু আরও একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে গুজবের বিরুদ্ধে ব্যাখ্যা দিয়েছেন। কেন তিনি কখনও গর্ভাবস্থা নিয়ে ‘রসিকতা’ করেন না তাও জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, “আমি অনেক দিন ধরে গর্ভবতী হওয়ার চেষ্টা করেছি, এবং সত্যি বলতে, আমি একাকীত্বে ভুগতাম।”
অতীতের কথা মনে করে ব্লু বলেন, “তুমি তোমার পরিবার এবং বন্ধুদেরকে এইসব কথা বলো না। এমন নয় যে এটা নিয়ে খুব বেশি কথা বলা হয়।” ব্লু জানান,তিনি মা হওয়ার জন্য আইভিএফ প্রক্রিয়ার চেষ্টা করেছেন। তিনি বলেন, “আইভিএফ ব্যয়বহুল, সেই সময় আমি অস্ট্রেলিয়ায় থাকতাম – সঞ্চয়ের উপর নির্ভর করে জীবনযাপন করতাম। গর্ভবতী হওয়ার জন্য প্রতি মাসে প্রেগন্যান্সি টেস্ট এবং ওভালুয়েশন টেস্ট করতাম। নানা ভিটামিনের ওষুধ খেতাম।” বনি জানান, নিজেকে গর্ভবতী করাটা অত্যন্ত ব্যয়বহুল।