AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Explained: কিমের নতুন মিসাইল পরীক্ষা আরও চাপে ফেলে দিল ট্রাম্পকে?

Kim Jong Un: সম্প্রতি, উত্তর কোরিয়া তাদের অস্ত্রভান্ডারকে সমৃদ্ধ করতে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা নিয়েছে। নয়া মিসাইলের পরীক্ষা সেই প্রকল্পেরই অংশ। নয়া মিসাইলের ইঞ্জিনে কম্পোজিট কার্বন ফাইবারের মেটিরিয়াল ব্যবহার করা হয়েছে। যাতে মিসাইল আরও দূরপাল্লায় নিখুঁত হামলা চালাতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, লিকুইড ফুয়েলের চেয়ে সলিড ফুয়েল ইঞ্জিনের মিসাইল অতি দ্রুত উৎক্ষেপণ করা যায়। নয়া ইঞ্জিন ২৫০০ কিলো-নিউটন থ্রাস্ট উৎপাদন করতে পারে বলে কিম জানিয়েছেন। তাঁর ঘোষণা, দেশের মিলিটারির ক্ষমতাকে আরও বাড়াতে নিরন্তর গবেষণা চলবে।

Explained: কিমের নতুন মিসাইল পরীক্ষা আরও চাপে ফেলে দিল ট্রাম্পকে?
| Edited By: | Updated on: Apr 06, 2026 | 8:05 PM
Share

ইরান যুদ্ধের মধ্যেই ট্রাম্পের রক্তচাপ আরও বাড়ালেন উত্তর কোরিয়ার খ্যাপাটে যুদ্ধবাজ নেতা কিম জং উন। এবার আরও শক্তিশালী সলিড ফুয়েল রকেট ইঞ্জিনের সফল পরীক্ষা করল পিয়ংইয়ং। এখন কোরিয়ান মিসাইল সরাসরি আমেরিকার মাটিতে আঘাত করতে পারবে, দাবি কিমের।

ইরান-আমেরিকা যুদ্ধের মধ্যে নিজেদের মিসাইল ভাণ্ডারকে আরও সমৃদ্ধ করার পথে এগোল উত্তর কোরিয়া। নতুন ও আরও শক্তিশালী হাই-থ্রাস্ট সলিড ফুয়েল ইঞ্জিনের সফল পরীক্ষা করল পিয়ংইয়ং। ফলে উত্তর কোরিয়ার দূরপাল্লার ইন্টার-কন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইল বা আইসিবিএম-এর হামলা করার ক্ষমতা এখন আরও বাড়ল। নিজে দাঁড়িয়ে থেকে এই নয়া মিসাইল ইঞ্জিনের পরীক্ষা দেখলেন উত্তর কোরিয়ার সর্বাধিনায়ক কিম জং উন। প্রশংসা করলেন এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত বিজ্ঞানী-সেনাকর্তাদের। সর্বাধিনায়ক কিমের, এখন থেকে পিয়ংইয়ংয়ের আইসিবিএম ‘নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড’ নিয়ে আমেরিকাতে সরাসরি হামলা করতে পারবে। ইরান যুদ্ধে ব্যস্ত আমেরিকা এখন দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ডিফেন্স সিস্টেম সরাচ্ছে। আর ঠিক তখনই চিরশত্রু উত্তর কোরিয়ার নয়া মিসাইল পরীক্ষা সিওল-কে জোরাল চাপের মুখে ফেলল।

North Korea

সম্প্রতি, উত্তর কোরিয়া তাদের অস্ত্রভান্ডারকে সমৃদ্ধ করতে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা নিয়েছে। নয়া মিসাইলের পরীক্ষা সেই প্রকল্পেরই অংশ। নয়া মিসাইলের ইঞ্জিনে কম্পোজিট কার্বন ফাইবারের মেটিরিয়াল ব্যবহার করা হয়েছে। যাতে মিসাইল আরও দূরপাল্লায় নিখুঁত হামলা চালাতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, লিকুইড ফুয়েলের চেয়ে সলিড ফুয়েল ইঞ্জিনের মিসাইল অতি দ্রুত উৎক্ষেপণ করা যায়। নয়া ইঞ্জিন ২৫০০ কিলো-নিউটন থ্রাস্ট উৎপাদন করতে পারে বলে কিম জানিয়েছেন। তাঁর ঘোষণা, দেশের মিলিটারির ক্ষমতাকে আরও বাড়াতে নিরন্তর গবেষণা চলবে। ভবিষ্যতে উত্তর কোরিয়ার সামরিক বাহিনীকে আরও আধুনিক করে তোলা হবে। উত্তর কোরিয়ার এই পদক্ষেপে সিঁদুরে মেঘ দেখছে প্রতিবেশী দক্ষিণ কোরিয়া ও আমেরিকা। কারণ,

  • ১৯৫৩ থেকে আমেরিকা ও দক্ষিণ কোরিয়া গুরুত্বপূর্ণ পার্টনার
  • সিওলকে সেনা, অস্ত্র, প্রযুক্তি দিয়ে সাহায্য করে ওয়াশিংটন
  • সিওলে ২৮ হাজারেরও বেশি মার্কিন সেনা মোতায়েন এই মুহূর্তে
  • ভিনদেশে আমেরিকার সবচেয়ে বড় সেনাঘাঁটি ‘ক্যাম্প হাম্পফ্রেজ’, ‘ওসান এয়ার বেস’
  • ভারসাম্য বজায়ে এই ঘাঁটিগুলি থেকে চিনের উপর নজর রাখে আমেরিকা
  • বিনিময়ে, স্যামসাং-এলজি-র মতো সংস্থার বিপুল বিনিয়োগ মার্কিন বাজারে
  • ইরান যুদ্ধে ব্যস্ত আমেরিকা এখন অস্ত্র সরাচ্ছে মধ্য প্রাচ্যে
  • ‘থাড’, প্যাট্রিয়টের মতো ডিফেন্স সিস্টেম সরিয়ে নিয়ে গেছে
  • আর এতেই সিঁদুরে মেঘ দেখছে দক্ষিণ কোরিয়া

ফলে দক্ষিণ কোরিয়ার নিরাপত্তার বাঁধুনি এই মুহূর্তে খানিকটা আলগা। আর উত্তর কোরিয়া ঠিক এই সুযোগকেই কাজে লাগাতে চাইছে বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের দাবি, কিমকে পিছন থেকে ধোঁয়া দিচ্ছেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তবে কিমের দেশের আর্থিক অবস্থা এখন এমন নয়, যে দক্ষিণ কোরিয়ার মতো সমৃদ্ধ প্রতিবেশীর সঙ্গে পুরোদমে যুদ্ধে জড়ানোর সাহস দেখাবে। বিশেষজ্ঞদের অনুমান, আমেরিকা এখন ইরান যুদ্ধে খানিকটা ব্যস্ত হয়ে পড়ার সুযোগ নিয়ে কিম এবার দক্ষিণ কোরিয়াকে একটু ব্যতিব্যস্ত করতে চাইছেন। ঝাল মেটাতে চাইছেন। তারই ফলস্বরূপ নয়া মিসাইলের পরীক্ষা।

Follow Us