Strait of Hormuz: হরমুজ প্রণালীতে ভারতগামী জাহাজে জ্বলছে আগুন, বিবৃতি দিল বিদেশ মন্ত্রক
মাঝ-সমুদ্রে আগুন ধরে যাওয়ার পর জাহাজটি থেমে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ওমানের নৌবাহিনী। তার পর শুরু হয় উদ্ধারকাজ। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর হরমুজ় প্রণালী কার্যত অবরুদ্ধ করে দিয়েছে ইরান। হামলার আশঙ্কায় অনেক জাহাজই থেমে আছে।

নয়া দিল্লি: ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের জেরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ইতিমধ্যেই। ভারতের উপরেও প্রভাব খুব একটা কম নয়। এরই মধ্যে ভারতগামী একটি জাহাজে যেভাবে আগুন জ্বলতে দেখা গিয়েছে, তাতে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক। হরমুজ প্রণালী দিয়ে ওই জাহাজ এগিয়ে আসছিল গুজরাটের কান্দলা উপকূলের দিকে। মাঝপথে কীভাবে আগুন ধরল, তা স্পষ্ট নয়। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, এতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
যুদ্ধের জেরে বাণিজ্যে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। বিশেষত জ্বালানি তেল ও গ্যাসে সঙ্কট তৈরি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, যাতে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষ থেকে ব্যবসায়ী। এই আবহে বাণিজ্যিক পরিবহনের উপর এভাবে আক্রমণ হওয়া উচিৎ নয় বলে মন্তব্য করেছে ভারত।
রয়্যাল থাই নেভির তরফে ওই জ্বলন্ত জাহাজের ছবি শেয়ার করা হয়েছে। দেখা যাচ্ছে, জাহাজ থেকে হু হু করে বেরচ্ছে কালো ধোঁয়া। পাশে জলে ভাসছে লাইফবোট। জাহাজের নাম ময়ূরী-নারী। জানা গিয়েছে, জাহাজে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর বিদেশ মন্ত্রকের তরফ থেকে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। বাণিজ্যিক জাহাজকে এভাবে টার্গেট করার ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেছে ভারত। বিবৃতিতে ভারত বলেছে, “ভারতীয় নাগরিক সহ বহু মানুষের মৃত্য হয়েছে বিভিন্ন হামলায়। হামলার ঘটনা ক্রমশ বাড়ছে।”
প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, ‘ময়ূরী নারী ব্যাঙ্কক’ নামের ওই জাহাজটি থেকে ২০ জনকে উদ্ধার করেছে ওমানের নৌসেনা। মাঝ-সমুদ্রে আগুন ধরে যাওয়ার পর জাহাজটি থেমে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ওমানের নৌবাহিনী। তার পর শুরু হয় উদ্ধারকাজ। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর হরমুজ় প্রণালী কার্যত অবরুদ্ধ করে দিয়েছে ইরান। হামলার আশঙ্কায় অনেক জাহাজই থেমে আছে।
