Bangladesh Election: বাংলাদেশে ‘প্রহসনের’ নির্বাচন, তলানিতে ভোটগ্রহণের হার, দাবি হাসিনার

Bangladesh Election 2026: যদিও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতে, এই নির্বাচন 'সুপরিকল্পিত প্রহসন'। তাঁর অভিযোগ, "১১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার পর থেকেই ভোটকেন্দ্র দখল, গোলাগুলি, ভোট কেনাবেচায় টাকার ছড়াছড়ি, ব্যালট পেপারে সিল প্রদান এবং ফলাফল শিটে এজেন্টদের স্বাক্ষর গ্রহণের মধ্য দিয়েই এই প্রহসনের সূচনা হয়।"

Bangladesh Election: বাংলাদেশে প্রহসনের নির্বাচন, তলানিতে ভোটগ্রহণের হার, দাবি হাসিনার
প্রতীকী ছবিImage Credit source: Getty Image

|

Feb 12, 2026 | 7:34 PM

ঢাকা: বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আবার ‘প্রহসনের নির্বাচন’ বলে কটাক্ষ করলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হলে আওয়ামী লিগের সমাজমাধ্যম থেকে এই বার্তা দেন তিনি। ভোটকেন্দ্রগুলিতে ভোটার উপস্থিতি যে কম ছিল বলে দাবি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর। পাশাপাশি, মানুষ এই ভোটকে ‘প্রত্য়াখ্যান’ করায় দেশবাসীকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি।

বেশ কিছু জায়গায় ককটেল বোমা বিস্ফোরণ, ব্য়ালট বক্স দখল ছাড়া বাংলাদেশের নির্বাচন মোটের উপর ‘শান্তিপূর্ণ ভাবেই’ হয়েছে। এদিন নির্বাচনের পর প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস দাবি করেন, “এই নির্বাচন দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর ছিল।” যদিও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতে, এই নির্বাচন ‘সুপরিকল্পিত প্রহসন’। তাঁর অভিযোগ, “১১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার পর থেকেই ভোটকেন্দ্র দখল, গোলাগুলি, ভোট কেনাবেচায় টাকার ছড়াছড়ি, ব্যালট পেপারে সিল প্রদান এবং ফলাফল শিটে এজেন্টদের স্বাক্ষর গ্রহণের মধ্য দিয়েই এই প্রহসনের সূচনা হয়।”

তাঁর সংযোজন, “১২ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে সারাদেশের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল একেবারেই নগণ্য। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বহু ভোটকেন্দ্র ছিল সম্পূর্ণ ভোটারশূন্য।” সেদেশের নির্বাচন কমিশন তরফে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বেলা দু’টো পর্যন্ত বাংলাদেশের ৩৬ হাজারের বেশি কেন্দ্রে গড়ে ভোট পড়েছে ৪৭ শতাংশ। সকাল ১১টা পর্যন্ত অর্থাৎ ভোট শুরুর সাড়ে তিন ঘণ্টার মধ্য়ে ভোটগ্রহণের হার ছিল ১৪.৯৬ শতাংশ।

হাসিনার মতে, আওয়ামী লিগ-হীন এই নির্বাচনকে মানুষ ‘বর্জন ও প্রত্য়াখ্যান’ করেছে। তাঁর আরও দাবি, “বিগত কয়েক দিন ধরে আওয়ামী লীগের ভোটার, সমর্থক-শুভানুধ্যায়ী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর লাগাতার হামলা, গ্রেফতার, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও আতঙ্ক সৃষ্টি করে জোরপূর্বক ভোটকেন্দ্রে নেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত ছিল। তবুও সকলে ভয়ভীতি উপেক্ষা করে তারা এই প্রতারণামূলক নির্বাচন বর্জন ও প্রত্যাখ্যান করেছে। ফলে দেশের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রই ছিল কার্যত ভোটারশূন্য।”