Split in Lashkar-E-Taiba: ভারতবিরোধী লস্কর, এখন ‘পাকিস্তান-বিরোধী’! বেজিং-ওয়াশিংটনের মন কাড়তে গিয়ে কালবেলায় পা শরিফের

Pakistan Terrorist Group Lashkar: বিশেষজ্ঞদের মতে, লস্কর-ই-তৈবা মূলত পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর পরামর্শ মেনে চলে। কিন্তু সাম্প্রতিককালে আইএসআই-এর নেওয়া বেশ কিছু সিদ্ধান্তের জেরে লস্কর-ই-তৈবার একাংশের শীর্ষ কমান্ডরদের মধ্যে তৈরি হয়েছে অসন্তোষ। কী সেই সিদ্ধান্ত?

Split in Lashkar-E-Taiba: ভারতবিরোধী লস্কর, এখন পাকিস্তান-বিরোধী! বেজিং-ওয়াশিংটনের মন কাড়তে গিয়ে কালবেলায় পা শরিফের
প্রতীকী ছবিImage Credit source: নিজস্ব চিত্র

|

Jan 14, 2026 | 5:48 PM

নয়াদিল্লি: ভাঙন ধরছে পাকিস্তান জঙ্গি সংগঠনে লস্কর-ই-তৈবার অন্দরে, অনুমান ভারতীয় গোয়েন্দাদের। পাকিস্তানের ‘সবচেয়ে প্রিয়’ হাতিয়ারে এবার যেন মরচে ধরতে চলেছে। দ্বি-বিভক্ত হওয়ার সম্ভবনা বাড়ছে লস্করে। হাফিজ় সৈয়দের জঙ্গি সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বদের নেওয়া নীতিগত সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছেন অন্য জঙ্গি কমান্ডররা। বাড়ছে ক্ষোভ। কিন্তু আচমকা উলটপুরাণের কারণ কী?

একাংশের মতে, অপারেশন সিঁদুরই আসল কারণ। ভারতের প্রত্যাঘাতের পর প্রশ্নের মুখে পড়েছে পাকিস্তানের সরকার। ধ্বংস হয়ে গিয়েছে লস্কর জঙ্গিদের একাধিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। মারা গিয়েছে বহু সন্ত্রাসবাদী। তারপর লস্কর-ই-তৈবা অন্দরে পাকিস্তানের সরকার ও গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-কে নিয়ে বেড়েছে ক্ষোভ। বিশেষজ্ঞদের মতে, লস্কর-ই-তৈবা মূলত পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর পরামর্শ মেনে চলে। কিন্তু সাম্প্রতিককালে আইএসআই-এর নেওয়া বেশ কিছু সিদ্ধান্তের জেরে লস্কর-ই-তৈবার একাংশের শীর্ষ কমান্ডরদের মধ্যে তৈরি হয়েছে অসন্তোষ। কী সেই সিদ্ধান্ত?

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্য়ম এনডিটিভি-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানের সরকারের চিন ও আমেরিকার সামনে মাথা নুইয়ে চলার অভ্য়াস মেনে নিতে পারছে না লস্কর জঙ্গিরা। এমনকি, চিন-আমেরিকার জন্য় এবার নিজেদের দেশেই যুদ্ধ চালাতে হচ্ছে তাঁদের। কিন্তু কী এমন নির্দেশ দিয়েছে আইএসআই? জানা গিয়েছে, বালোচিস্তানে থাকা বিরল খনিজের উপর নজর পড়েছে চিন-আমেরিকার। সম্প্রতি সেই বিরল খনিজগুলি নিয়ে হোয়াইট হাউসে গিয়েছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ।

তারপর থেকেই বালোচিস্তানে সংঘাত বাড়িয়ে পাক সেনা। কিন্তু সেখানে আগে থেকেই নিজেদের ময়দান তৈরি করে রাখা তেহরিক-ই-তালিবান এবং বালোচিস্তান লিবারেশনের সঙ্গে পেরে উঠছে না তারা। ফলত বালোচদের জমি থেকে বালোচদের অধিকার কেড়ে নিতে শরিফের সেনা দ্বারস্থ হয়েছে লস্কর-ই-তৈবার কাছে। সেনার পোশাকে জঙ্গি নামাতে চাইছে তাঁরা। যা নিয়ে সংগঠনের অন্দরে তৈরি হয়েছে ক্ষোভ। অন্য দেশে সন্ত্রাস চালানো লস্করদের, সন্ত্রাস চালাতে হচ্ছে নিজ দেশেই।