
তেহরান : ইরানের পরমাণু ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইজ়রায়েল ও আমেরিকা। এমনই দাবি করেছে ইরান । যার জেরে তেজস্ক্রিয় বিকিরণের আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে,আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার তরফে দাবি করা হয়েছে, এখনও পর্যন্ত কোনও পরমাণু ঘাঁটি ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার প্রমাণ মেলেনি। ইরানের উপর যৌথভাবে ইজ়রায়েল-আমেরিকা প্রত্যাঘাত অব্যাহত রেখেছে। এখনও পর্যন্ত ৩০০জনের বেশি মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। পাল্টা হামলা চালাচ্ছে ইরানও। এরই মধ্যে ইরানের পরমাণু কেন্দ্রে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এদিকে, হামলা চালানোর প্রমাণ না মিললেও, তেজস্ক্রিয় বিকিরণের আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছে না আন্তর্জাতিক পরমাণু সংস্থা।
আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার ডিরেক্টর জেনারেল রাফায়েল গ্রোসি জানিয়েছেন, সংস্থার কাছে কোনও পারমাণবিক ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কোনও ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। তিনি আরও বলেন ‘সংস্থা এখনও পর্যন্ত ইরানের পারমাণবিক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারেনি। যোগাযো স্থাপনের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি।”
রয়টার্সের রিপোর্টঅনুযায়ী, IAEA প্রধান গ্রোসি জানিয়েছেন এখনও পর্যন্ত ইরানের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে সেভাবে তেজস্ক্রিয় বিকিরণের খবর মেলেনি। তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা স্বাভাবিকের থেকে বেশি ছিল না। তবে, তেজস্ক্রিয় বিকিরণের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না তিনি। এবিষয়ে গ্রোসি বলেন,” আজকের পরিস্থিতি খুবই উদ্বেগজনক,তেজস্ক্রিয় বিকিরণের সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।” ইরানে আদৌ তেজস্ক্রিয় বিকিরণ হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখার জন্য একটি টিমকে ইরানে যেতে হবে। তবেই বিষয়টা স্পষ্ট হবে। একইসঙ্গে ইরানের বড় শহর, জনবহুল শহরগুলি দ্রুত খালি করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন গ্রোসি। তাঁর মতে, সবাইকে আলোচনার ফিরে যেতে হবে।
আর সত্যি যদি তেজস্ক্রিয়তা ছড়ায়, তাহলে চরম বিপদের মুখে রয়েছে ইরান-সহ গোটা মধ্যপ্রাচ্য। মধ্যপ্রাচ্য ধ্বংস হয়ে যাবে। পশ্চিম এশিয়ার আকাশ-বাতাস বিষিয়ে যাবে। যার প্রভাব পড়তে পারে ভারতেও।