
তেহরান : মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার আবহে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সমাধান নিয়ে জল্পনা বাড়ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বারবার কূটনৈতিক পথে সমাধানের বার্তা দিয়েছেন আমেরিকা ও ইরানকে। এবার কি সেই পথে হাঁটতে চলেছে তিন দেশ? সম্প্রতি, আল আরবিয়া একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে,ইরানের নয়া সুপ্রিম লিডার মোজ়তবা খামেনেই আমেরিকার সঙ্গে আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছেন। সমঝোতার পথে এগোতে চাইছেন।
সম্প্রতি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সম্প্রতি আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে আলোচনায় ভাল অগ্রগতি হয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, আলোচনা আরও চলবে এবং দ্রুত একটি চুক্তিতে পৌঁছনোর সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে এই দাবিকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে ইরান। তেহরান জানিয়েছে, আমেরিকার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনও যোগাযোগ হয়নি। আমেরিকা ভুয়ো খবর ছড়াচ্ছে। এরই মধ্যে ইরানের সুপ্রিম লিডারের সাম্প্রতিক মন্তব্যকে ঘিরে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।
বারবার দেখা যাচ্ছে, ইরানের প্রেসিডেন্ট কখনও সুর নরম করছেন, কখনও আবার বিদেশমন্ত্রী তীব্র প্রত্যাঘাতের হুঁশিয়ারি দিচ্ছে। ইরানের অভ্যন্তরেই কি দ্বন্দ্ব রয়েছে? নাকি নানারকম মন্তব্য করে আমেরিকাকে ফাঁপড়ে ফেলতে নতুন কৌশল করছে ইরান? সেরকমটাই মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল।
দিন কয়েক আগেই ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ় না বন্ধ করলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিকে ধ্বংস করে দেওয়া হবে। সেই ট্রাম্পই দুই দিনের মধ্যে সুর নরম করে সেই ডেডলাইন বাড়িয়েছেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন,”আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, গত দুই দিন ধরে আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে ভাল এবং ফলপ্রসূ আলোচনা চলেছে।” তারপরই যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করেন ট্রাম্প। তিনি জানান,আগামী পাঁচ দিন ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিতে কোনও হামলা চালানো হবে না। আন্তর্জাতিক মহল মনে করছে, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বেশ চাপেই রয়েছেন ট্রাম্প।