US-Iran: এবার সরাসরি ট্রাম্পকেই চ্যালেঞ্জ! মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার হুঁশিয়ারি তেহরানের

মূল্যবৃদ্ধি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেইয়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রতিদিনই একটু একটু করে বাড়ছে সে দেশে। সরকারও সর্বশক্তি দিয়ে বিক্ষোভ দমানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের দাবি, এযাবৎকালের সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ দমাতে ইরান সেনা ও পুলিশের গুলিতে অন্তত আড়াই হাজার আন্দোলনকারীর মৃত্যু হয়েছে সে দেশে।

US-Iran: এবার সরাসরি ট্রাম্পকেই চ্যালেঞ্জ! মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার হুঁশিয়ারি তেহরানের

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Jan 14, 2026 | 9:54 PM

অশান্ত ইরানে খামেনেই-বিরোধী বিক্ষোভের আগুন থামার নামই নেই। এর মধ্যেই আরও একধাপ সুর চড়িয়ে ইরান তার প্রতিবেশীদের সতর্ক করল। ইরানের প্রতিবেশী যে সব দেশে মার্কিন সেনাঘাঁটি রয়েছে, প্রয়োজনে সেখানে হামলা চালাবে তেহরান। ইরানে সরকার-বিরোধী বিক্ষোভে আমেরিকা অবৈধভাবে হস্তক্ষেপ করছে বলে ইরানের অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে, প্রতিবেশী রাষ্ট্রে মার্কিন সেনাঘাঁটিতে হামলার হুঁশিয়ারি নজিরবিহীন বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল।

সংবাদসংস্থা রয়টার্সের কাছে ইরানের বিদেশমন্ত্রকের এক প্রতিনিধি এই খবরের সত্যতা স্বীকার করে নিয়েছেন। তাঁর দাবি, ইরানের প্রতিবেশী কাতারকে ইতিমধ্যেই এবিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। ইরানের অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভে বেআইনিভাবে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ, বারবার হুঁশিয়ারি দেওয়াকে ভাল চোখে দেখছে না ইরান সরকার। তার প্রতিবাদেই এই সতর্কতা।

কাতারের আল উদেইদ এয়ারবেসের কয়েকজন শীর্ষ সেনাকর্তা, কূটনীতিবিদকে ঘাঁটি খালি করতে বলা হয়েছে। যদিও কাতারের দাবি, যুদ্ধের আবহে ইরান অনুরোধ করেছে মাত্র, জরুরি ভিত্তিতে কোনও নির্দেশ দেয়নি। আজই ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে ইরানে বসবাসকারী ভারতীয়দের জরুরি ভিত্তিতে ইরান ছাড়ার অনুরোধ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই আমেরিকা ও ইউরোপের একাধিক দেশও তাদের নাগরিকদের ইরান থেকে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে।

মূল্যবৃদ্ধি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেইয়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রতিদিনই একটু একটু করে বাড়ছে সে দেশে। সরকারও সর্বশক্তি দিয়ে বিক্ষোভ দমানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের দাবি, এযাবৎকালের সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ দমাতে ইরান সেনা ও পুলিশের গুলিতে অন্তত আড়াই হাজার আন্দোলনকারীর মৃত্যু হয়েছে সে দেশে।

এর মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সেনা অভিযানের হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন। ইজরায়েলের দাবি, ট্রাম্প সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছেন ইরান আক্রমণের। শুধু সুযোগ ও উপযুক্ত সময়ের অপেক্ষা। মনে রাখতে হবে, গত বছর ইরানের পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রে মার্কিন ও ইজরায়েলি বায়ুসেনার যৌথ হামলার (অপারেশন মিডনাইট হ্যামার) পাল্টা কাতারের সবচেয়ে বড় মার্কিন সেনাঘাঁটিতে মিসাইল হামলা চালিয়েছিল ইরান। অপারেশনের পোশাকি নাম ছিল, ‘অপারেশন গ্ল্যাড টাইডিংস অফ ভিক্ট্রি’। বায়ুসেনা ঘাঁটি লক্ষ্য করে ১৪টি ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল ইরান। তবে মার্কিন রেডার ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সেযাত্রায় কোনও সেনার প্রাণহানি হয়নি।