
ইসলামাবাদ: পাকিস্তানের ঘরে বিদ্রোহ। ক্রমাগত হামলা চালাচ্ছে বালুচ লিবারেশন আর্মি (Baloch Liberation Army)। তাদের প্রতিরোধ করতে খাবি খাচ্ছে পাক সেনা। এবার বিবৃতি জারি করে পরবর্তী পদক্ষেপের কথা জানাল বালুচ আর্মি। এতটানা ছয় দিন ধরে একনাগাড়ে পাকিস্তানি সেনা (Pakistani Army)-র উপরে হামলা চালানোর পর বালুচ লিবারেশন আর্মির “অপারেশন হেরোফ-২ ” আপাতত সমাপ্ত করেছে বলেছে। তবে তৃতীয় পর্ব শুরু হবে আগামী দিনে।
বালুচ আর্মির মুখপাত্র জিয়ান্দ বালুচ বলেছেন, তাদের অভিযান ৩১ জানুয়ারি ভোর ৫টায় শুরু হয়েছিল এবং ৬ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টেয় সেই অভিযান শেষ করেছেন তারা। বালুচিস্তানের ১৪ টি শহর দখল করে রেখেছিলেন তারা।
অপারেশন ‘হেরোফ-২’ তে তাদের ৯৩ জন বালুচ যোদ্ধা নিহত হয়েছেন, এর মধ্যে মজিদ ব্রিগেডের ৫০ জন, ফতেহ স্কোয়াডের ২৬ জন এবং স্পেশাল ট্যাকটিক্যাল অপারেশনস স্কোয়াডের ১৭ জন আছেন। অন্যদিকে,পাক সেনাবাহিনী, ফ্রন্টিয়ার কর্পস, পুলিশ এবং রাষ্ট্র-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীর ৩৬২ জনেরও বেশি পাকিস্তানি নিরাপত্তা কর্মী নিহত হয়েছে।
আরও বলা হয়েছে, ১৭ জন নিরাপত্তা কর্মীকে আটক করা হয়েছিল, যাদের মধ্যে ১০ জন বালুচ হওয়ায়, তাদেরকে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এবং বাকি সাতজনকে এখনও বন্দি করে রাখা হয়েছে।
তবে বালুচদের এই অপারেশনে আশঙ্কার মেঘ দেখছে পাকিস্তান। এবারে বালুচরা ৭ দিন পাকিস্তানের থেকে জমিকে আলাদা করে জল মেপে দেখে নিল, পরবর্তীকালে ৭ দিনকে বাড়িয়ে ১৫ দিন বা তার বেশি করবে। তারপর ১ মাস এবং তারপর চিরস্থায়ী ভাবে বালুচিস্তানকে আলাদা করে নেবে পাকিস্তানের থেকে। এই আশঙ্কাই তাদের। তখন একক বালুচিস্তান তৈরি হয়ে যাবে।
ঠিক যেমন খেলার আগে ওয়ার্ম আপ করে খেলোয়াড়রা, তেমনভাবে অপারেশন হেরোফ-১ এবং অপারেশন হেরোফ-২ করেছে বালুচরা।