
ঢাকা: পেশায় চিকিৎসক, রাজনীতিক, বাংলাদেশের ইসলামিক দল জামায়াতের আমির। নাম শফিকুর রহমান। একাংশের মতে, বর্তমানের হাসিনা-হীন বাংলাদেশ তৈরিতে তাঁর অংশীদারিত্ব কম নয়। এমনকি, ইউনূসের উপদেষ্টা মণ্ডলীর অন্দরেও রয়েছে তাঁর ‘অলিখিত প্রভাব’। কিন্তু জামায়াতের এই আমির, বাস্তবে কতটা ‘আমির’ (পড়ুন )?
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন। ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার কাজ। সোমবার ঢাকা-১৫ আসনের জন্য মনোনয়ন জমা দিয়েছেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানও। নিজের সম্পত্তির খতিয়ান তুলে ধরেছেন তিনি। সেই হলফনামা বিশ্লেষণ করেছে ‘সময় টিভি’। তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখিত তথ্য অনুযায়ী, শফিকুর রহমানের নামে মোট দেড় কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে।
যার মধ্য়ে একটি রয়েছে ২ একর ১৭ শতকের কৃষি জমি। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৭ লক্ষ ৭১ হাজার টাকা। সেই কৃষিখাত থেকে তাঁর বার্ষিক আয় প্রায় তিন লক্ষ টাকা। এছাড়াও শফিকুল রহমানের নামে একটি ১১ দশমিক ৭৭ শতকের জমির উপর ডুপ্লেক্স বাড়ি রয়েছে। যার আনুমানিক মূল্য ২৭ লক্ষ টাকা।জামায়াতের আমিরের হাতে নগদ রয়েছে প্রায় ৬০ লক্ষ টাকা। তাঁর ব্যাঙ্কে রয়েছে চার লক্ষ টাকা। এছাড়াও রয়েছে ৫০ ভরির অলঙ্কার, যার মূল্য প্রায় এক লক্ষ টাকা। তাঁর স্ত্রী আমেনা বেগমে নামে কোনও সম্পত্তি নেই বলেই হলফনামায় জানিয়েছেন শফিকুর রহমান।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের নির্বাচনে অংশ নেওয়া উল্লেখযোগ্য পাঁচটি রাজনৈতিক দলের ১০ শীর্ষ নেতার মধ্য়ে সাতজনের আয় লক্ষ টাকারও নীচে। অন্যান্য নেতাদের তুলনায় সবচেয়ে কম আয় জামায়াতের আমির চিকিৎসক শফিকুর রহমানের। এরপরেই রয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্য়ান জি এম কাদের, তাঁর আয় বছরে ৪ লক্ষ টাকা। তাদের চেয়ে কিছুটা এগিয়ে রয়েছেন তারেক রহমান। মোট বার্ষিক আয় ৬ লক্ষ ৭৬ হাজার টাকা।