AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

PoK Protest: বিক্ষোভের আগুনে জ্বলছে পাক অধিকৃত কাশ্মীর, মৃত শতাধিক, এবার পাকিস্তান থেকে আলাদা হয়ে যাবে?

Pakistan Occupied Kashmir Protests: বিক্ষোভের জেরে রাওয়ালকোট, মুজাফ্ফরাবাদ, মীরপুরে সমস্ত দোকান-পাট বন্ধ। স্থগিত যান চলাচল। বনধের জেরে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। গণ হারে গ্রেফতারি, ইন্টারনেট বন্ধ এবং বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে অবাধে শক্তি প্রদর্শন নিয়ে সোচ্চার হয়েছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন। 

PoK Protest: বিক্ষোভের আগুনে জ্বলছে পাক অধিকৃত কাশ্মীর, মৃত শতাধিক, এবার পাকিস্তান থেকে আলাদা হয়ে যাবে?
পাক অধিকৃত কাশ্মীরে বিক্ষোভ।Image Credit: X
| Updated on: Jun 10, 2026 | 11:21 AM
Share

নয়া দিল্লি ও ইসলামাবাদ: আগুন জ্বলছে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে (Pak Occupied Kashmir)। সাম্প্রতিক সময়ে সবথেকে বড় বিক্ষোভ-আন্দোলন চলছে সেখানে। বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বেধেছে, মৃত্যু হয়েছে শতাধিক মানুষের, আহত আরও বহু মানুষ। এই আন্দোলন একদিকে যেমন ইসলামাবাদকে চরম অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছে, তেমনই ভারত তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে, কূটনৈতিক স্তরে পাকিস্তানকে আক্রমণ করেছে।

জানা গিয়েছে, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বিভিন্ন অংশে আন্দোলন চলছে। এর মধ্যে আন্দোলনের মূল কেন্দ্র হয়ে উঠেছে রাওয়ালকোট। ইতিমধ্য়েই বিক্ষোভ আটকাতে বহু জায়গায় কার্ফু জারি করেছে পাক সরকার। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেটও। বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে অভিযানে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

কী নিয়ে আন্দোলন?

জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি নামক একটি গোষ্ঠীর বিক্ষোভকে কেন্দ্র করেই অশান্তির সূত্রপাত। ২০২৪ সালে এই সংগঠনের উত্থান হয়। তারা সেই সময় অত্যাধিক বিদ্যুতের বিল, গমের দাম সহ আর্থিক চাপ নিয়েই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছিল। সেই সময় তারা বিপুল জনসমর্থন পায়। সরকারও নতিস্বীকার করে বেশ কিছু দাবি পূরণের প্রতিশ্রুতি দেয়। তবে এই অশান্তি-উত্তেজনা কখনওই পুরোপুরি থামেনি।

সম্প্রতি পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ১২টি আসন নিয়ে বিরোধ বাধে নতুন করে, এই আসনগুলি জম্মু-কাশ্মীরের রিফিউজিদের জন্য সংরক্ষিত, যারা বর্তমানে পাকিস্তানে এসে বসবাস করছেন। এই সংগঠনের দাবি, সংরক্ষিত আসনের কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে। তারা নিজেদের সমস্যার কথা বলতে পারছে না। যদিও পাক সরকার এই যুক্তি মানতে নারাজ। এই আসনগুলি সংবিধানের নিয়মে সংরক্ষিত। এটি তুলে দেওয়া যায় না। আদালতও সেই রায়ই দিয়েছে।

এই সংগঠনকে সম্প্রতি নিষিদ্ধ বলে ঘোষণা করেছে পাক প্রশাসন। তাদের বক্তব্য, দেশের জাতীয় সুরক্ষা এবং জনগণের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার জন্য ক্ষতিকর এই সংগঠন। এই বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পরই পাক সরকার জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটির সদস্যদের গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছে। কেউ তাদের খোঁজ দিলে আর্থিক পুরস্কারেরও ঘোষণা করা হয়েছে।

বিক্ষোভের জেরে রাওয়ালকোট, মুজাফ্ফরাবাদ, মীরপুরে সমস্ত দোকান-পাট বন্ধ। স্থগিত যান চলাচল। বনধের জেরে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। গণ হারে গ্রেফতারি, ইন্টারনেট বন্ধ এবং বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে অবাধে শক্তি প্রদর্শন নিয়ে সোচ্চার হয়েছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন।

ভারতের প্রতিক্রিয়া-

পাক অধিকৃত কাশ্মীরের এই পরিস্থিতিকে পাকিস্তান সরকারের ব্যর্থতা বলেই উল্লেখ করেছে ভারত। পাকিস্তান এই আন্দোলনের দায়ও ভারতের ঘাড়েই চাপাতে চেয়েছিল। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এই অত্যাচার ও হত্যালীলার কড়া নিন্দা করে বলেছেন, “আভ্যন্তরীণ ব্যর্থতার জন্য ভারতকে দোষারোপের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবেই।”

Follow Us