ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে মস্কোয় ডাকলেন পুতিন, ৪ বছরের যুদ্ধ শেষ হবে এবার?
Russia-Ukraine War: গত বছরও রাশিয়ার তরফ থেকে জেলেনস্কিকে তাদের দেশে এসে আলোচনার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তখন জ়েলেনস্কি এই বলে আমন্ত্রণ খারিজ করে দিয়েছিলেন যে তিনি এমন দেশের রাজধানীতে যেতে পারবেন না যে দেশ প্রতিনিয়ত তাঁর দেশকে আক্রমণ করছে।

মস্কো: সেই ২০২২ সাল থেকে যুদ্ধ শুরু হয়েছিল, ২০২৬ সালে এসেও তা থামেনি। একাধিকবার আলোচনা, সংঘর্ষবিরতি হলেও, দিনের শেষে সবই ব্যর্থ হয়েছে। তবে চার বছর পর অবশেষে যুদ্ধ থামার একটা ক্ষীণ আশা দেখা গেল। ক্রেমলিনের তরফে জানানো হল, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জ়েলেনস্কিকে শান্তি আলোচনার জন্য মস্কোয় আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে কি যুদ্ধ থামবে?
বৃহস্পতিবারই জানা যায়, আমেরিকার মধ্যস্থতার পর রাশিয়া ইউক্রেনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি এবং বৈঠকের জন্য ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানিয়েছেন, মস্কোর এই আমন্ত্রণের জবাব ইউক্রেন এখও দেয়নি।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও দাবি করেছেন যে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে তিনি রাজি করিয়েছেন যাতে ইউক্রেনে প্রবল ঠান্ডার মধ্যে এক সপ্তাহ হামলা না চালায়।
গত সপ্তাহেই ওয়াশিংটনের মধ্যস্থতায় আবু ধাবিতে বৈঠক হয়েছিল দুই দেশের। আলোচনা চললেও, সংঘাত, একে অপরের উপরে হামলা থামায়নি কেউ। তবে সেই সময়ই আমেরিকার এক আধিকারিক সূত্রে জানা গিয়েছিল, পুতিন ও জেলেনস্কি মুখোমুখি আলোচনায় বসতে পারেন।
আগামী রবিবার আবু ধাবিতে দ্বিতীয় বৈঠক হওয়ার কথা। তবে এখনও রাশিয়া-ইউক্রেন বেশ কিছু বিষয় নিয়ে সহমত হতে পারেনি, যেমন রাশিয়ার দখল করা ইউক্রেনের অংশ আর ফেরত পাবে কি না, ইউক্রেনে আন্তর্জাতিক শান্তি স্থাপকরা থাকবে কি না এবং বর্তমানে রাশিয়ার অধীনে থাকা ইউক্রেনের ঝাপরজ়িয়া পরমাণু শক্তি প্ল্যান্ট।
প্রসঙ্গত, গত বছরও রাশিয়ার তরফ থেকে জেলেনস্কিকে তাদের দেশে এসে আলোচনার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তখন জ়েলেনস্কি এই বলে আমন্ত্রণ খারিজ করে দিয়েছিলেন যে তিনি এমন দেশের রাজধানীতে যেতে পারবেন না যে দেশ প্রতিনিয়ত তাঁর দেশকে আক্রমণ করছে। উল্টে পুতিনকে কিয়েভে আসার আমন্ত্রণ করেছিলেন। এবারের আমন্ত্রণের জবাবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট কী বলেন, তাই-ই দেখার।
