
তেহরান: যুদ্ধের আশঙ্কা করাই হচ্ছিল। সত্যি সত্যি ইরানে বড়সড় হামলা হল। তবে আমেরিকা নয়, হামলা চালাল ইজরায়েল। আজ সকালে ইরানের উপরে বড় হামলা চালায় ইজরায়েল। তেহরানে পরপর বিস্ফোরণ হয়েছে। হামলার পরই রেড অ্যালার্ট জারি করেছে ইরান। তেহরান জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। সাধারণ মানুষ রাস্তায় ছোটাছুটি করছেন। লম্বা অ্যাম্বুল্যান্সের মিছিল দেখা যাচ্ছে।
পাল্টা জবাব দেবে ইরান, তা ধরেই নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ইজরায়েলে সাইরেন বাজছে। ইরান নিজেদের এয়ারস্পেস খালি করেছে। হামলার আশঙ্কায় ইজরায়েল সমস্ত স্কুল বন্ধ করে দিয়েছে। যে কোনও মুহূর্তেই প্রত্যাঘাত হানতে পারে ইরান।
گزارشها و تصاویر دریافتی از ‘شنیده شدن صدای چند انفجار و دیده شدن دود در #تهران، شنبه ۹ اسفند’#Iran #Tehran pic.twitter.com/tIk5yAITCA
— Vahid Online (@Vahid) February 28, 2026
যুদ্ধের জন্য ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি নিচ্ছিল ইরান-আমেরিকা। যুদ্ধের আশঙ্কায় ভারতীয়দের আগেই দেশ ছাড়তে বলেছিল বিদেশ মন্ত্রক। গতকাল চিন ও আমেরিকাও তাদের নাগরিকদের দ্রুত ইরান ছাড়তে বলেছে। এই পরিস্থিতিতে অতর্কিতে হামলা চালাল ইজরায়েল। ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেইয়ের বাড়ির কাছেই হামলা চালানো হয়েছে বলে খবর।
Let the world know that we did not start this war pic.twitter.com/9G3vbJYw1D
— Iran Military Monitor (@IRIran_Military) February 28, 2026
মনে করা হচ্ছে, এই হামলা ইজরায়েল নিজে থেকে চালায়নি। আমেরিকার নির্দেশেই হামলা করেছে তেহরানে। ইরানকে চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলা হচ্ছে। পারস্য় উপসাগরে মার্কিন রণতরী অপেক্ষা করছে। এই পারস্য উপসাগরে হরমুজ প্রণালী দিয়েই বিশ্বের চাহিদার ৬০ শতাংশ তেল সরবরাহ করা হয়। ইরান আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিল যে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেবে। তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যেতে পারে গোটা বিশ্বের। সেই কারণে আগে হরমুজ প্রণালীর পথ খোলা রাখতে চাইছে আমেরিকা।
প্রসঙ্গত, এর আগেই গত বছর ইরান-ইজরায়েলের যুদ্ধ বেঁধেছিল। এবার ফের আক্রমণ। এবারের আক্রমণের পাল্টা জবাবে ইরান পরমাণু অস্ত্র পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর প্রভাব ভয়ঙ্কর হতে পারে।