AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

World War II: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মৃত জওয়ানদের পরিচয় খোঁজার কাজ এখনও চলছে, পরিবারকে দেওয়া হয় ক্ষতিপূরণ

World War II Missing Soldiers: আমেরিকা, ব্রিটেন, জাপান, ফ্রান্স, রাশিয়া সহ ১৩টি দেশকে নিয়ে কাজ শুরু করে গ্রেভস কমিশন। কমিশনের কাজ এখনও চলছে। ৮০ বছর পরও খোঁজাখুঁজি হচ্ছে। কাজ শুরুর ১৩ বছরের মাথায়, ১৯৫৯ সালে গ্রেভস কমিশন জানিয়েছিল, বিশ্বযুদ্ধে নিহত কমবেশি দেড় লক্ষ অজ্ঞাতপরিচয় সেনা সদস্যের অনেকের পরিচয় হয়ত কখনই জানা সম্ভব হবে না।

World War II: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মৃত জওয়ানদের পরিচয় খোঁজার কাজ এখনও চলছে, পরিবারকে দেওয়া হয় ক্ষতিপূরণ
ফাইল ফোটোImage Credit: National Army Museum
| Updated on: Nov 01, 2026 | 9:38 PM
Share

সে বড় কঠিন সময়। দরকার মৃতের পরিচয়। রাস্তায় রাস্তায় ডেডবডির পাহাড়। একটু অসতর্ক হলে রাস্তায় চলতে গিয়ে মরদেহে পা লাগতে পারে- এমনই অবস্থা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ তখন শেষ। অথচ দুনিয়া জুড়ে লক্ষ, লক্ষ সেনার কোনও হদিশ নেই। এদের অধিকাংশই তখন মৃত। বা মারাত্মক আহত। কিন্তু ওই তাঁরা কোথায়? কোনও খবর নেই। না সেনা,না সরকার না পরিবার কেউ কিছু জানে না। যুদ্ধের জড়িয়ে পড়া দেশগুলো সিদ্ধান্ত নিল, কোন দেশের সেনা কীভাবে, কী পরিস্থিতিতে মারা গেলেন, সেটা খতিয়ে দেখা হবে। নিহত সেনার পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর তৈরি গ্রেভস কমিশনের উপর কার্যত একটা পাহাড় ঠেলার মতো দায়িত্ব পড়ল। বিশ্বজুড়ে দেড় লাখের মতো মানুষ তখনও নিখোঁজ। এদের অনেকেই ভলান্টিয়ার হয়ে যুদ্ধে গিয়েছিলেন। স্বভাবতই এদের অনেকেরই সার্ভিস রেকর্ড সরকারগুলোর হাতে ছিল না। এঁরা কোথায়, কী অবস্থায় আছেন, তাও সংশ্লিষ্ট দেশের সেনা এবং সরকার জানত না। এদিকে নিখোঁজদের পরিবার প্রতিদিনই প্রিয়জনের খবর চেয়ে রাস্তায় নামছে। সরকারগুলোর উপর চাপ বাড়াচ্ছে। সেই চাপের মুখেই যুদ্ধে নিহত এবং মারাত্মক আহত ভলান্টিয়ারদের পরিবারকে চাকরি এবং ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

আমেরিকা, ব্রিটেন, জাপান, ফ্রান্স, রাশিয়া সহ ১৩টি দেশকে নিয়ে কাজ শুরু করে গ্রেভস কমিশন। কমিশনের কাজ এখনও চলছে। ৮০ বছর পরও খোঁজাখুঁজি হচ্ছে। কাজ শুরুর ১৩ বছরের মাথায়, ১৯৫৯ সালে গ্রেভস কমিশন জানিয়েছিল, বিশ্বযুদ্ধে নিহত কমবেশি দেড় লক্ষ অজ্ঞাতপরিচয় সেনা সদস্যের অনেকের পরিচয় হয়ত কখনই জানা সম্ভব হবে না। তবে কমিশন সেই কাজ চালিয়ে যাবে। কমিশন এখনও কাজ করছে। তবে নাম পাল্টে। গ্রেভস কমিশন এখন ইন্টারন্যাশনাল কমিশন ফর রিহ্যাবলিটেশন অ্যান্ড ফ্যামিলি এনগেজমেন্ট। কমিশনের সুপারিশ মেনে এখনও নিহত সেনাদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেয় বিভিন্ন দেশ।

২০২৩ সালে তিন ব্রিটিশ নাগরিকের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিয়েছিল ব্রিটেনের ঋষি সুনক প্রশাসন। এই তিনজন স্পেশাল ভলান্টিয়ার হিসাবে জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধে গিয়েছিলেন। সেটা হয়েছিল কমিশনের সুপারিশেই।

Follow Us