ISIS second in command killed: তলে তলেই বিরাট অভিযান ট্রাম্পের সেনার! খতম ISIS-র সেকেন্ড ইন কম্যান্ড
Islamic State news: আবু-বিলাল আল-মিনুকি ছিলেন ইসলামিক স্টেটের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড। নাইজেরিয়ার নাগরিক মিনুকিই গোটা বিশ্বে আইএসের যাবতীয় কার্যকলাপ পরিচালন করত। আর্থিক সাহায্যও জোগাড় করত সে। আমেরিকায় যাবতীয় আইসিস হামলার নেপথ্যে ছিলেন মিনুকিই।

ওয়াশিংটন: ইসলামিক স্টেটের (Islamic States) সেকেন্ড ইন কম্যান্ড নিকেশ। মার্কিন সেনা ও নাইজেরিয়ান সেনার যৌথ অভিযানে আইসিস(ISIS)-র অন্যতম মাথাকে খতম করা হল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) নিজেই এই ঘোষণা করেছেন। লিখেছেন, “আমাদের মধ্যে আর সন্ত্রাস ছড়াতে পারবে না।”
আবু-বিলাল আল-মিনুকি ছিলেন ইসলামিক স্টেটের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড। নাইজেরিয়ার নাগরিক মিনুকিই গোটা বিশ্বে আইএসের যাবতীয় কার্যকলাপ পরিচালন করত। আর্থিক সাহায্যও জোগাড় করত সে। আমেরিকায় যাবতীয় আইসিস হামলার নেপথ্যে ছিলেন মিনুকিই। যদিও এখনও পর্যন্ত আইসিসের তরফে মিনুকির মৃত্যু নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি বা মৃত্যুর খবরও নিশ্চিত করেনি।
এ দিন ট্রাম্প পোস্ট করে জানান যে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে এই অভিযান সফল করা হয়েছে। নাইজেরিয়ায় এই মিশন অত্যন্ত জটিল ছিল। ট্রাম্প লেখেন, “আজ, আমার নির্দেশে সাহসী মার্কিন বাহিনী এবং নাইজেরিয়ার সশস্ত্র বাহিনী সুপরিকল্পিতভাবে জটিল মিশনে বিশ্বের সবথেকে সক্রিয় জঙ্গিকে নিকেশ করেছে।”
তিনি আরও লেখেন, “ওঁ আর আফ্রিকার মানুষদের ভয় দেখাতে পারবে না কিংবা আমেরিকানদের নিশানা করে অপারেশনে মদত দিতেও পারবে না। ওঁকে নিকেশ করার সঙ্গে সঙ্গে আইসিসের গ্লোবাল অপারেশনও ধ্বংস হল।”
ট্রাম্পের দাবি, আফ্রিকায় আমেরিকার সেনাবাহিনীর বেশ কিছু ‘সোর্স’ ছিল, যারা আল মিনুকির যাবতীয় খবর পৌঁছে দিত।
কে এই আবু বিলাল আল-মিনুকি?
আবু বাকর মুহাম্মদ আল মইনুকি ওরফে আবু বিলাল আল-মিনুকি নাইজেরিয়ার নাগরিক। আফ্রিকার সাহেল প্রদেশে বেড়ে ওঠা তাঁর। ইসলামিক স্টেটের পশ্চিম আফ্রিকার সিনিয়র কম্য়ান্ডার ছিলেন মিনুকি। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট মিনুকিকে স্পেশালি ডেসিগনেটেড গ্লোবাল টেররিস্ট হিসাবে ঘোষণা করেছিল ২০২৩ সালেই। ইসলামিক স্টেটের টেরর সেল পরিচালন ও আন্তর্জাতিক ফান্ডিং জোগাড়ের কাজ করতেন।
প্রসঙ্গত, এর আগেও ইসলামিক স্টেটের জঙ্গিদের নিকেশ করতে অভিযান চালিয়েছিল মার্কিন সেনা। গত বছরও নাইজেরিয়ায় ইসলামিক স্টেটের ক্য়াম্পে প্রাণঘাতী হামলা করেছিল ট্রাম্পের বাহিনী। সিরিয়াতেও ৩০টিরও বেশি জায়গায় আইসিসের উপরে হামলা করা হয়েছিল।
