America: আজ রাতেই ইরানকে ‘ধ্বংস’ করে দেবে আমেরিকা! জানিয়ে দিল পেন্টাগন
US-Israel vs Iran war: ১১ দিন আগে আমেরিক ও ইজরায়েল যৌথভাবে হামলা চালায় ইরানে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেইয়ের মৃত্যু হয়। এরপরই প্রত্যাঘাত করে ইরান। আরব দেশগুলিতে মার্কিন সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালায়। ১১ দিন ধরে লড়াই চলছে।

পেন্টাগন: আরও ভয়ঙ্কর হামলার মুখে পড়তে চলেছে ইরান। মঙ্গলবারই ইরানে আক্রমণ আরও বাড়ানো হবে। হুঁশিয়ারি দিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমেরিকা। এদিন আমেরিকার প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ ঘোষণা করলেন, “১১ দিন আগে যে লড়াই শুরু হয়েছিল, মঙ্গলবার ইরানের মধ্যে হামলা সবচেয়ে ভয়ঙ্কর হবে।” আমেরিকা আকাশপথে হামলা বাড়াতে চলেছে। আবার ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সম্পূর্ণ বিজয় চাইছেন। ইরানের সরকারকে উপড়ে ফেলতে চান ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী।
১১ দিন আগে আমেরিক ও ইজরায়েল যৌথভাবে হামলা চালায় ইরানে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেইয়ের মৃত্যু হয়। এরপরই প্রত্যাঘাত করে ইরান। আরব দেশগুলিতে মার্কিন সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালায়। ১১ দিন ধরে লড়াই চলছে। বন্ধ হরমুজ প্রণালী। ফলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অপরিশোধিত তেল, LPG রফতানি বন্ধ রয়েছে।
আবার খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর তেহরান তাদের সুপ্রিম লিডার বেছে নিয়েছে। খামেনেইয়ের দ্বিতীয় পুত্র মোজতোবা খামেনেই হয়েছে ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার। আর ইরান নতুন সর্বোচ্চ নেতা বেছে নেওয়ার পর ফের হুঁশিয়ারি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, বেশিদিন টিকতে পারবেন না ইরানের নতুন নেতা।
ফলে ইরানের সঙ্গে আমেরিকা ও ইজরায়েলের যুদ্ধ এখনই যে থামছে না, সেই ইঙ্গিত পাওয়া যায়। এই পরিস্থিতিতে মধ্য প্রাচ্যে চাপ বাড়াতে এদিন আবার ইজরায়েল ও আরব দেশগুলিতে আমেরিকার সেনাঘাঁটিগুলি লক্ষ্য করে হামলা বাড়িয়েছে তেহরান।
তারপরই পেন্টাগন প্রধান হেগসেথ বড় হুঁশিয়ারি দিলেন ইরানকে। বলে দিলেন, ইরানের উপর আমেরিকার বিমান হামলা মঙ্গলবার সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছবে। ইরানের মাটিতে হামলা চালাবে মার্কিন ফাইটার জেট। বোমা ফেলা হবে। তিনি আরও বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ইরানের মিসাইল হামলা সবচেয়ে কম হয়েছে।
এদিন আবার জেরুজালেমে নেতানিয়াহু বলেন, “আমরা ইরানের শিরদাঁড়া ভেঙে দিয়েছি।” ইরানের বিরুদ্ধে তাঁদের অভিযানের লক্ষ্য নিয়ে নেতানিয়াহু বলেন, “স্বৈরশাসন থেকে মুক্ত করে ইরানের মানুষকে শক্তিশালী করতেই এই অভিযান।”
