BAPS Hindu Mandir: ‘একবিংশ শতাব্দীর নবজাগরণ…’, BAPS হিন্দু মন্দির দেখে বললেন উপদেষ্টা

BAPS Hindu Temple in Abu Dhabi: সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট মন্দির সফরে গিয়ে ওই মন্দিরের প্রধান স্বামী ব্রহ্মবিহারী দাসের দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেছিলেন তিনি। আবু ধাবি এবং মধ্য়প্রাচ্যের এই বুকে এই মন্দিরের কৃতিত্ব কম নয়। সর্বোপরি, হিন্দুদের জন্য তৈরি মধ্যপ্রাচের বুকে একমাত্র জনপ্রিয় মন্দির হল এই BAPS হিন্দু মন্দির। যার পরতে পরতে রয়েছে শিল্প ও মাধুর্য।

BAPS Hindu Mandir: একবিংশ শতাব্দীর নবজাগরণ..., BAPS হিন্দু মন্দির দেখে বললেন উপদেষ্টা
মন্দির দর্শনে উপদেষ্টাImage Credit source: Instagram

| Edited By: Avra Chattopadhyay

Jan 17, 2026 | 7:07 PM

আবু ধাবি: আবু ধাবিতে স্থিতু বাপস হিন্দু মন্দিরে পরিদর্শনে গেলেন সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রেসিডেন্টের সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা জ্যাকি আনওয়ার নুসসেইবেহ। মন্দিরের স্থাপত্যশৈলী, আধ্যাত্মিক পরিবেশ দেখে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। এমনকি, এই মন্দিরকে একবিংশ শতাব্দীর ‘নবজাগরণ’ বলেও অভিহিত করেছেন সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা।

সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট মন্দির সফরে গিয়ে ওই মন্দিরের প্রধান স্বামী ব্রহ্মবিহারী দাসের দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেছিলেন তিনি। আবু ধাবি এবং মধ্য়প্রাচ্যের এই বুকে এই মন্দিরের কৃতিত্ব কম নয়। সর্বোপরি, হিন্দুদের জন্য তৈরি মধ্যপ্রাচের বুকে একমাত্র জনপ্রিয় মন্দির হল এই BAPS হিন্দু মন্দির। যার পরতে পরতে রয়েছে শিল্প ও মাধুর্য। সনাতন ধর্মের প্রতিটি দিককে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই মন্দিরের প্রতিটি কোণায়। যা দেখে আপ্লুত হয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রেসিডেন্টের সাংস্কৃতিক উপদেষ্টাও।

 

তাঁর মতে, ‘এই মন্দির কেবল একটি উপাসনালয় নয়, বরং এটি বিশ্ব সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল আলোকবিন্দু এবং শিল্প ও মানবিক মূল্যবোধের এক জীবন্ত দলিল।’ এই মন্দিরের পরতে পরতে সম্প্রীতি, সহাবস্থান এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা রয়েছে বলেই মত উপদেষ্টার। এমনকি, সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রতিষ্ঠাতা শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা এই মন্দিরকেও জন্ম দিয়েছে বলেই মত তাঁর। সাংস্কৃতিক উপদেষ্টার কথায়, ‘এই মন্দিরটি আরব দুনিয়ার উদারতা ও বহুত্ববাদের এক শক্তিশালী প্রতীক।’

প্রসঙ্গত, আবুধাবির আল রাহবা এলাকায় নির্মিত এই BAPS Hindu Mandir মধ্যপ্রাচ্যে BAPS স্বামীনারায়ণ সংস্থার প্রথম হিন্দু মন্দির। ২০১৯ সালে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি সরকারের প্রদান করা জমিতে এই মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ২০২৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য়ে দিয়ে উদ্বোধন করা হয় মধ্যপ্রাচ্যের এই একমাত্র হিন্দু মন্দিরের। যা বর্তমানে আরব বিশ্বে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও ভারত-আমিরশাহি বন্ধুত্বের এক শক্তিশালী স্তম্ভ হিসেবে দাঁড়িয়ে রয়েছে।