PM Modi-Donald Trump: পাশে বসে ট্রাম্প, মার্কিন হামলায় ভারতীয়দের মৃত্যু নিয়ে তুলোধনা প্রধানমন্ত্রী মোদীর, কী বললেন?
Indians Death in US Strike: জি৭ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, "পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি ফেরাতে যেটুকু কাজ এগিয়েছে, তাকে আমরা স্বাগত জানাই। এই সংঘর্ষের কারণে আমাদের বন্ধু দেশগুলিতে নাগরিকদের মৃত্যু ও সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জটের কারণে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বিরাট প্রভাব পড়েছে।"

নয়া দিল্লি: দেশের আগে কেউ নয়! ফের প্রমাণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। পাশে বসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। তবুও ভারতীয় নাবিকদের উপরে মার্কিন হামলা নিয়ে মুখ খুলতে দ্বিধা করলেন না। মঙ্গলবার জি৭ নেতাদের বৈঠকে (G7 Leaders Meeting) মার্কিন হামলায় ভারতীয় নাবিকদের মৃত্যু নিয়ে সরব হলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী (PM Narendra Modi)।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদীর বন্ধুত্ব, হৃদ্যতার কথা সকলের জানা। তবে দেশের স্বার্থে সেই আমেরিকার সমালোচনাও করতে দু’বার ভাবেননি প্রধানমন্ত্রী মোদী। হরমুজ প্রণালীতে সঙ্কট এবং তার জেরে ভারতীয়দের প্রাণ খোয়ানো নিয়ে মুখ খোলেন প্রধানমন্ত্রী। দাবি করেন জাহাজ চলাচলের রুটের সুরক্ষার।
জি৭ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি ফেরাতে যেটুকু কাজ এগিয়েছে, তাকে আমরা স্বাগত জানাই। এই সংঘর্ষের কারণে আমাদের বন্ধু দেশগুলিতে নাগরিকদের মৃত্যু ও সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জটের কারণে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বিরাট প্রভাব পড়েছে।”
এরপরই প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বহু ভারতীয় নাগরিকও প্রাণ হারিয়েছেন। নাবিকদের সুরক্ষা আমাদের দায়িত্ব। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে সমুদ্রের রুট গুলি যেন সুরক্ষিত থাকে এবং নাবিকরা নির্ভয়ে, নিশ্চিন্তে তাদের কাজ করতে পারেন।”
প্রধানমন্ত্রী মোদী সরাসরি ওমান উপকূলে আমেরিকার হামলায় তিন ভারতীয়ের মৃত্যুর কথা উল্লেখ না করলেও, এই যুদ্ধ এবং তার জেরে ভারতীয় নাগরিকদের উপরে যে হামলা হচ্ছে, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে বাণিজ্যে প্রভাব নিয়েও কথা বলেন।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতিই গত ৮ জুন ওমান উপকূলে পালাউয়ের একটি তেলবাহী জাহাজে হামলা করেছিল আমেরিকার রণতরী। ওই জাহাজে ছিলেন ২৪ জন ভারতীয় নাগরিক। জাহাজে থাকা তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয় হামলায়। ভারত এর তীব্র প্রতিবাদ জানায়। আমেরিকার তরফে এই হামলার নেপথ্যে যুক্তি দেওয়া হয়েছিল যে ওই জাহাজটি অবৈধভাবে, আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে ইরান থেকে তেল নিয়ে আসার চেষ্টা করছিল। তাদের আটকাতেই হামলা করা হয়েছিল।
আমেরিকার এই পদক্ষেপের পরই ভারত তীব্র বিরোধিতা করে এবং এই হামলা থামানোর দাবি করে।
