
নয়া দিল্লি: আর মাত্র ক’দিন। তারপরই পেশ হতে চলেছে কেন্দ্রীয় বাজেট (Budget 2026)। এই বছর ১ ফেব্রুয়ারি পড়েছে রবিবার। ওই দিনই বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। ইতিমধ্যেই সাধারণ মানুষের মধ্যে বাজেট ঘিরে প্রত্য়াশা জমেছে অনেক। কী কী আশা পূরণ করতে পারে সরকার?
২০২৫ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটেই সরকার আয়কর ও জিএসটিতে ছাড় দিয়েছে। এই বছর আয়করে নতুন করে ছাড় দেওয়ার সম্ভাবনা তাই কম। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনও আয়করে অনেক সংস্কারের সুযোগ রয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার এ বছরও বাজেটে আয়করে ছাড় ঘোষণা করতে পারে।
মধ্যবিত্ত ও বেতনভোগী কর্মীদের জন্য সরকার যে ঘোষণা করতে পারে, সেগুলি হল-
বর্তমানে এইআরএ ছাড় মেট্রো শহরের জন্য ৫০ শতাংশ এবং নন-মেট্রো শহরে ৪০ শতাংশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাস্তবের বাড়িভাড়ার সঙ্গে অনেক ক্ষেত্রেই সামঞ্জস্য থাকে না। তাই এবার বাজেটে এইআরএ-তে ছাড় ঘোষণা করতে পারে সরকার।
অনেকেই এবারের বাজেটে এনআরআই বা অনাবাসী ভারতীয়দের জন্য ১৮২ দিনের ১৮২ দিনের রেসিডেন্সি নিয়ম ফিরিয়ে আনার আর্জি জানিয়েছে।
নতুন কর কাঠামোয় করদাতা ও পেনশনভোগীরা ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন ছাড় পান। বিশেষজ্ঞদের দাবি, এই স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন বাড়িয়ে এক লক্ষ থেকে দেড় টাকা করে দেওয়া হোক।
২০২৫ সালের বাজেটে ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ে করছাড় দেওয়া হয়েছিল। আয়কর আইনের ৮৭এ ধারায় ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হয়। তবে যারা ইকুইটি শেয়ার বা মিউচুয়াল ফান্ড থেকে আয় করেন, যদি তাদের আয় ১২ লক্ষ টাকার কম হয়, তাহলেও এই কর ছাড়ের সুবিধা দেওয়া হত না। এবার ইকুইটি ও মিউচুয়াল ফান্ডেও করছাড়ের আর্জি জানানো হয়েছে।
আসন্ন বাজেটে অন্যতম দাবি হল, নতুন কর কাঠামোয় স্বাস্থ্যবিমার প্রিমিয়ামের উপরে আয়কর ছাড় দেওয়া। বর্তমানে এই করছাড় শুধু পুরনো কর কাঠামোয় পাওয়া যায়।
বর্তমানে মূল্য়বৃদ্ধির বাজারে যেভাবে রিয়েল এস্টেটের দাম বাড়ছে, তাতে বাড়ি কেনা প্রায় সাধ্যের বাইরে চলে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে অনেক বিশেষজ্ঞরাই গৃহ ঋণের সুদে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ছাড় দেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে।