Nirmala Sitharaman: মৎস্য়জীবীদের জন্য বাজেটে বিশেষ ঘোষণা নির্মলার
আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক খাবারের বাজারে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী করার জন্য, মাছের পেস্ট (সুরিমি) এর উপর মৌলিক শুল্ক ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হবে। এছাড়াও, মাছ এবং চিংড়ির খাদ্য তৈরিতে ব্যবহৃত ফিশ হাইড্রোলাইসেটের উপর শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হবে।

নয়া দিল্লি: ২০২৬-এর বাজেটে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বিভিন্ন কৃষিকাজে নজর দিয়েছেন। নারকেল, কোকো, কাজু এবং চন্দন, সেইসঙ্গে মৎস্য চাষের উপরেও জোর দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় বাজেটে। মহিলাদের দ্বারা পরিচালিত ব্যবসাগুলিকে সাহায্য করার জন্য বেশ কয়েকটি প্রকল্প চালু করা হয়েছে।
বাজেটে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা হল, ৫০০টি জলাধার এবং অমৃত সরোবরের একযোগে উন্নয়ন। এটি উপকূলীয় অঞ্চলে মৎস্য চাষকে আরও শক্তিশালী করবে। মৎস্য উৎপাদকদের মাধ্যমে জেলেদের সরাসরি বাজারে প্রদান করবে।
বর্তমানে, ৭ কোটি ৭০ লক্ষ কৃষক, জেলে এবং দুগ্ধ চাষীরা কিষাণ ক্রেডিট কার্ড (KCC)-এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র ঋণ গ্রহণ করেন। সুদ ভর্তুকি প্রকল্পের অধীনে KCC-র ঋণের সীমা ৩ লক্ষ থেকে বাড়িয়ে ৫ লক্ষ করা হবে, যা কৃষকদের আরও বেশি সহায়তা প্রদান করবে।
আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক খাবারের বাজারে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী করার জন্য, মাছের পেস্ট (সুরিমি) এর উপর মৌলিক শুল্ক ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হবে। এছাড়াও, মাছ এবং চিংড়ির খাদ্য তৈরিতে ব্যবহৃত ফিশ হাইড্রোলাইসেটের উপর শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হবে।
মৎস্য উৎপাদন এবং জলজ উদ্ভিত পালনে ভারত বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। দেশ থেকে সামুদ্রিক খাবার রফতানির মূল্য প্রায় ৬০,০০০ কোটি টাকা। সামুদ্রিক সম্ভাবনাকে সম্পূর্ণরূপে কাজে লাগানোর জন্য, সরকার ভারতীয় এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন (EEZ) এবং সমুদ্রে মৎস্য সম্পদের দক্ষ এবং টেকসই ব্যবহারের জন্য নতুন ব্যবস্থা চালু করবে, বিশেষ করে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ এবং লক্ষদ্বীপ দ্বীপপুঞ্জের উপর।
