Union Budget 2026, Stock Market: বেড়েছে ক্যাপিটাল এক্সপেন্ডিচার, বিনিয়োগ বেড়েছে আগামীর জন্য! এই বাজেট কতটা ভাল আর কতটা মন্দ?

Capital Expenditure, Nirmala Sitharaman: এবারের বাজেটে সরকার বেশ কিছু খাতে বিনিয়োগ বাড়িয়েছে। সেমিকন্ডাক্টর, রেয়ার আর্থ, ডেটা সেক্টার সহ আগামীর শিল্প সম্ভাবনায় বিনিয়োগ করছে কেন্দ্র। তবে, সদ্য বীজ বপন করা হয়েছে। এর ফল পেতে সময় লাগবে। রাজকোষে ঘাটতি না থাকলেও বেড়েছে বন্ড ইল্ড।

Union Budget 2026, Stock Market: বেড়েছে ক্যাপিটাল এক্সপেন্ডিচার, বিনিয়োগ বেড়েছে আগামীর জন্য! এই বাজেট কতটা ভাল আর কতটা মন্দ?
এবারের বাজেট আসলে কেমন হল?

Feb 02, 2026 | 3:17 PM

পেশ হয়ে গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাজেট। ১ ফেব্রুয়ারি রবিবার সংসদে বাজেট পেশ করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। কিন্তু বাজেট কেমন হয়েছে? এই বাজেট দেশের বাজারের জন্য কেমন? আসলে এই বাজেটে বৃদ্ধি করা হয়েছে ক্যাপিটাল এক্সপেন্ডিচার বা ক্যাপেক্স। আসন্ন অর্থবর্ষের ক্যাপেক্স বেড়ে হয়েছে ১২ লক্ষ ২০ হাজার কোটি টাকা। বরাদ্দ বেড়েছে প্রতিরক্ষা ও রেলে। আর সেই কারণেই একটা স্থিতিশীলতা দেখা গিয়েছে শিল্প ও ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে। তবে, আগের মতো সেই বুম কিন্তু আর এই খাতগুলোয় নেই।

এবারের বাজেটে সরকার বেশ কিছু খাতে বিনিয়োগ বাড়িয়েছে। সেমিকন্ডাক্টর, রেয়ার আর্থ, ডেটা সেক্টার সহ আগামীর শিল্প সম্ভাবনায় বিনিয়োগ করছে কেন্দ্র। তবে, সদ্য বীজ বপন করা হয়েছে। এর ফল পেতে সময় লাগবে। রাজকোষে ঘাটতি না থাকলেও বেড়েছে বন্ড ইল্ড। ফলে, এই দিক দিয়ে দেখলে এই বাজেটকে ব্যালেন্স বাজেট বলছে বিখ্যাত এক সংবাদসংস্থা।

বাজেটের পর প্রতিক্রিয়া

১ ফেব্রুয়ারি এই বাজেট পেশের পরই ভারতের শেয়ার বাজারে একটা বিরাট ধ্বস নামে। সেনসেক্স পড়ে যায় প্রায় ১৬০০ পয়েন্ট। নিফটি ৫০ পড়ে যায় প্রায় ৫০০ পয়েন্ট। তবে, বেশ কিছু সেক্টরে কিন্তু কেনাকাটার একটা ঝোঁক দেখা যায়।

বাজারের ইতিবাচক দিক

বাজেটে বাই-ব্যাকের ক্ষেত্রে কর বসছে। অর্থাৎ, বাই-ব্যাককে এবার থেকে ক্যাপিটাল গেন হিসাবে ধরা হবে। আর কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে লাভবান হয়েছে আইটি সংস্থাগুলো। উইপ্রো, টিসিএস, ইনফোসিসের মতো সংস্থাগুলোর শেয়ারের দামে একটা বৃদ্ধি দেখা যায়। পর্যটন ক্ষেত্রেও ইতিবাচক একটা ঘোষণার কারণে একাধিক ট্যুরিজমের স্টকও চাঙ্গা হয়।

সোনা-রুপোর আমদানি শুল্কে বৃদ্ধি না হওয়ায় ও সোনা ও রুপোর দাম কমে যাওয়ায় গয়না শিল্পে একটা স্বস্তি মেলে। এর পাশাপাশি মেডিক্যাল ট্যুরিজম হাব, টেক্সটাইল সেক্টরের আধুনিকীকরণ, ফিসারিজ ও সেমি কন্ডাক্টর খাতে বাড়ে শেয়ারের দাম।

বাজারের নেতিবাচক দিক

বাজারের সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা আসে যখন ফিউচার ও অপশনে এসটিটি বা সিকিউরিটিজ ট্র্যানজ্যাকশন ট্যাক্স বৃদ্ধির ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। এতে ট্রেডিংয়ের খরচ বেড়ে যাওয়ায় ডেরিভেটিভ ও ক্যাপিটাল মার্কেটে স্টকের দাম পড়ে হুড়মুড়িয়ে। এমসিএক্স, বিএসই ও অ্যাঞ্জেল ওয়ানের শেয়ারে ধ্বস দেখা যায়।

যদিও দুর্বল হয়ে পড়ে নিফটি ব্যাঙ্ক। এই খাতে পিএসইউ ব্যাঙ্ক মার্জার ও সরকারি ঋণ গ্রহণের শঙ্কা বেড়ে যাওয়ায় পড়ে যায় এই সেক্টরের শেয়ার সূচক। আসলে, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের টাকার মতো বিরাট কোনও ইনসেন্টিভের অভাব ও প্রতিরক্ষা খাতে প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম ক্যাপিটাল এক্সপেন্ডিচার বরাদ্দও বাজারে একটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।