সংসদে পেশ হচ্ছে ভারতের কেন্দ্রীয় বাজেট। আর সেখানেই সেমি কন্ডাক্টর ও রেয়ার আর্থ সেক্টর নিয়ে বিরাট ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এবারের বাজেটে ভারতের ইলেকট্রনিক্স সেক্টরকে ঢেলে সাজানোর ঘোষণার যেন করলেন তিনি। এ দিন ঘোষণা করা হয় ভারতের সেমিকন্ডাক্টর মিশন ২.০ চালু করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার।
কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীমারামন এদিন বলেন, “ভারতের সেমিকন্ডাক্টর মিশন ১.০ ভারতের এই সেক্টরে সক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে। আর তার উপর নির্ভর করেই কেন্দ্র সেমিকন্ডাক্টর মিশন ২.০ চালু করতে চলেছে। এই মিশনের অধীনে সেমিকন্ডাক্টর তৈরির যন্ত্রপাতি ও বিভিন্ন কাঁচামাল উৎপাদনে জোর দেওয়া হবে।”
এ ছাড়াও মন্ত্রী জানান, কেন্দ্র সম্পূর্ণ ভারতীয় সেমিকন্ডাক্টর আইপি বা ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টির ডিজাইনও করতে চাইছে। এ ছাড়াও এই সেক্টরের সাপ্লাই চেনকেও শক্তিশালী করতে চাইছে কেন্দ্র। এর বাইরেও প্রযুক্তির উন্নতিকরণে ও প্রশিক্ষিত কর্মচারী তৈরির জন্য গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রও তৈরি করবে সরকার।
২২ হাজার ৯১৯ কোটি টাকা নিয়ে গত বছরের এপ্রিলেই ইলেকট্রনিক কম্পোনেট ম্যানুফ্যাকচারিং স্কিম চালু করেছিল সরকার। আর এই সেক্টরের বৃদ্ধির গতি ধরে রাখতে বাজেটে এই বরাদ্দ বাড়িয়ে ৪০ হাজার কোটি তাকার করার কথা বললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।
গত বছরের নভেম্বরে রেয়ার আর্থ পার্মানেন্ট ম্যাগনেটের জন্য একটি স্কিম লঞ্চ করে সরকার। আর সেই স্কিমের অধীনে এবারের বাজেটে ওড়িশা, কেরালা, অন্ধ্র প্রদেশ ও তামিলনাডুর মতো খনিজ সম্পদে পরিপূর্ণ রাজ্যকে সাহায্যের আশ্বাসও দিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। এ ছাড়াও ডেডিকেটেড রেয়ার আর্থ করিডোর তৈরির ঘোষণাও করেন তিনি। এর ফলে, এই ধরণের খনিজ পদার্থকে খনন করা, কাঁচা মালকে প্রসেস করা, গবেষণা করা ও ফাইনাল পণ্য তৈরি করা সহজ থেকে সহজতর হয়।
দেশের রাসায়নিক আমদানি কমাতেও পদক্ষেপের কথা এই বাজেটে ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। এর ফলে দেশের মধ্যে রাসায়নিকের উৎপাদন বাড়বে বলেও জানান তিনি। দেশের ৩টি ডেডিকেটেড কেমক্যাল পার্ক তৈরির কথাও ঘোষণা করেন তিনি। যা তৈরি হবে ক্লাস্টার ভিত্তিক প্লাগ অ্যান্ড প্লে মডেলে।