
ইলেকট্রিক গাড়ির সমস্যা নিয়ে কথা বলতে গেলে সবার প্রথমেই আসে এই ধরণের গাড়ির চার্জিং সংক্রান্ত সমস্যার কথা। ইভিতে চার্জ করতে অনেক সময় লাগে। আর রাস্তায় থাকা ডিসি ফাস্ট চার্জারে চার্জ করলেও খুব যে তাড়াতাড়ি চার্জ হয়ে যায় এমনটাও নয়। কোনও গাড়ির ৬০ কিলোওয়াট আওয়ারের ব্যাটারি প্যাকে ১০ থেকে ৮০ শতাংশ চার্জ করতে রাস্তায় থাকা সাধারণ ৫০ কিলোওয়াটের ডিসি ফাস্ট চার্জারেরও সময় লাগে প্রায় ১ ঘণ্টা। আর এই সমস্যাতে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে বিওয়াইডি নতুন প্রযুক্তি আবিষ্কারের কথা ঘোষণা করেছে কয়েক দিন আগেই। নয়া এই প্রযুক্তিতে মাত্র ৫ মিনিটের চার্জেই গাড়ি ৪০০ কিলোমিটার চলার উপযুক্ত হয়ে যাবে।
এবার বেঙ্গালুরু ভিত্তিক একটি টেক স্টার্টআপ ‘এক্সপোনেন্ট এনার্জি’ নয়া এক প্রযুক্তির কথা জানিয়েছে। যে প্রযুক্তি নাকি মাত্র ১৫ মিনিটে কোনও ইলেকট্রিক গাড়িকে সম্পূর্ণ চার্জ করতে সক্ষম। জানা গিয়েছে, সংস্থাটি বিশ্বের প্রথম ১৫০০ কিলোওয়াট ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তি চালু করতে চলেছে।
২০২০ সালে এথান এনার্জির প্রাক্তন অরুণ বিনায়ক ও সঞ্জয় বালিয়াল এক্সপোনেন্ট এনার্জি সংস্থাটি স্থাপন করেন। এই সংস্থা ইতিমধ্যেই ভারতে ১০০০ কিলোওয়াটের ফাস্ট চার্জিং নিয়ে এসেছে। তারা এই বছরের শেষের দিকে বিশ্বের মধ্যে প্রথম ১৫০০ কিলোওয়াটের ফাস্ট চার্জিং ব্যবস্থা চালু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। উল্লেখ্য, বিওয়াইডির নয়া প্রযুক্তি ১০০০ কিলোওয়াটের ফাস্ট চার্জিং ব্যবহার করে।
এক্সপোনেন্ট এনার্জি নামক এই সংস্থাটি নিজস্ব ব্যাটারি প্যাক তাদের চার্জিং স্টেশনের মাধ্যমে এই ধরণের ফাস্ট চার্জ করতে পারে। তাদের ওয়ারেন্টি ব্যাটারির ৩ হাজার চার্জিং সাইকেল পর্যন্ত থাকে। আর এর ফলে ইলেকট্রিক গাড়ির মালিকদের গাড়ির ব্যাটারি প্যাক নিয়ে চিন্তাও অনেক কম থাকে।
সংস্থার সিইও অরুণ বিনায়ক একটি টুইটে জানিয়েছেন, “১০০০ কিলোওয়াট চার্জিং একটি বাসকে ২০ মিনিটের কমে ফুল চার্জ করতে সক্ষম। বিওয়াইডির ১০০০ কিলোওয়াটের ফাস্ট চার্জ নিয়ে একটা উন্মাদনা দেখা গিয়েছিল। আমরা ইতিমধ্যেই সেই কাজ করেছি। আসলে আমরা সাধারণ ব্যাটারি সেলের উপর এমন কাজ করেছি।” উল্লেখ্য, হিরো মোটোকর্পের সিইও ড. পবন মুঞ্জাল ব্যক্তিগত ভাবে এই সংস্থায় বিনিয়োগ করেছেন।
কোথাও বিনিয়োগ করতে চাইলে সেই বিষয়ে যথাযথ তথ্যানুসন্ধান ও বিশ্লেষণ করুন। এই ভিডিয়ো শুধুমাত্র শিক্ষাগত উদ্দেশ্যে। TV9 বাংলা বিনিয়োগের কোনও উপদেশ দেয় না।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: যে কোনও বিনিয়োগে বাজারগত ঝুঁকি রয়েছে। ফলে, আগে বিনিয়োগ সংক্রান্ত সমস্ত নথি সাবধানে পড়ে নেবেন। তারপর বিনিয়োগ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।