Gautam Adani: সেই আদানির কাছেই হাত পাততে হল ইউনূসের বাংলাদেশকে, আর উচিত শিক্ষা দিলেন আদানিও!
Gautam Adani-Bangladesh: ২০১৭ সালে বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করে আদানি পাওয়ার। চুক্তি অনুসারে আদানি পাওয়ার বাংলাদেশে ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করত। ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় এই বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়।

নয়া দিল্লি: সেই আদানির কাছেই হাত পাততে হল বাংলাদেশকে। বিদ্যুৎ নিয়ে গৌতম আদানির সংস্থার সঙ্গে চরম বিবাদ বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া টাকা না মেটানোয়, বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেক করে দিয়েছিল আদানির সংস্থা। বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর জন্য নতুন কোনও সংস্থা খুঁজে নেওয়ার মতো বড় কথাও বলেছিল অন্তর্বর্তী সরকারের তাবড় তাবড় মাথা। কিন্তু শীত কাটতেই ফের সুর নরম। আবার আদানির কাছেই বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য আবেদন করল ইউনূস সরকার।
সংবাদসংস্থা রয়টার্স সূত্রে খবর, বাংলাদেশ আদানির কাছে ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের আর্জি জানিয়েছে। আদানিও এই প্রস্তাবে রাজি। তবে বাংলাদেশের আরেক আবদার সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন গৌতম আদানি। বাংলাদেশ বিদ্যুতের চার্জে ছাড় চেয়েছিল। আদানি সাফ জানিয়েছে, কোনও রকমের ডিসকাউন্ট দেওয়া সম্ভব নয়। পুরো দামেই বিদ্যুৎ কিনতে হবে বাংলাদেশকে।
২০১৭ সালে বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করে আদানি পাওয়ার। চুক্তি অনুসারে আদানি পাওয়ার বাংলাদেশে ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করত। ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় এই বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। গত অক্টোবরেই বকেয়া অর্থ না মেটানোয় বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেক করে দেয়।
এবার বাংলাদেশ ফের আদানির কাছে হাত পাতল। আগের মতো ফের ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানিয়েছে। একইসঙ্গে বিদ্যুতের দামে ছাড় ও ট্যাক্সে সুবিধার দাবি জানায়। কিন্তু আদানি সেই প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছে। আদানি পাওয়ার জানিয়েছে, তিন মাস পর থেকে আগের মতো বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করলেও, দামে কোনও ছাড় দেওয়া হবে না।

