Bank Layoff: ব্যাঙ্কের চাকরিও আর সুরক্ষিত নয়? চার বড় বেসরকারি ব্যাঙ্কে এক বছরেই কর্মী সংখ্যা কমল ১৩ হাজার!
Private Bank Layoffs: আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কে সবথেকে বেশি ছাঁটাই হয়েছে। জানা গিয়েছে, তাদের স্থায়ী কর্মী বা পার্মানেন্ট এমপ্লয়ি-র সংখ্যা ৫ হাজার ১৪৮ কমে গিয়েছে। গত মার্চ মাসে তাদের কর্মী সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ১ লক্ষ ২৪ হাজার ২৯-এ। গত বছর এই সংখ্যাটা ছিল ১ লক্ষ ২৯ হাজার ১৭৭। অস্থায়ী কর্মীদের মিলিয়ে ৬৬৩৩ জন কর্মী সংখ্যা কমেছে।

নয়া দিল্লি: ব্যাঙ্কের চাকরিও কি আর সুরক্ষিত নয়? সেই চাকরিতেও থাবা বসাচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI)? দেশের চারটি বড় বেসরকারি ব্যাঙ্কে বিপুল কর্মী ছাঁটাই। উঠে এল চমকে দেওয়ার মতো তথ্য। জানা গিয়েছে, আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক, এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক, অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক ও কোটাক মাহিন্দ্রা ব্যাঙ্কের কর্মী সংখ্যা চলতি বছরে ১৩ হাজার কমে গিয়েছে।
কোন ব্যাঙ্কে কত ছাঁটাই?
আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কে সবথেকে বেশি ছাঁটাই হয়েছে। জানা গিয়েছে, তাদের স্থায়ী কর্মী বা পার্মানেন্ট এমপ্লয়ি-র সংখ্যা ৫ হাজার ১৪৮ কমে গিয়েছে। গত মার্চ মাসে তাদের কর্মী সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ১ লক্ষ ২৪ হাজার ২৯-এ। গত বছর এই সংখ্যাটা ছিল ১ লক্ষ ২৯ হাজার ১৭৭। অস্থায়ী কর্মীদের মিলিয়ে ৬৬৩৩ জন কর্মী সংখ্যা কমেছে।
এইচডিএফসি ব্য়াঙ্কের কর্মী সংখ্য়া ৩৩৪৩ কমেছে। বর্তমানে তাদের কর্মী সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ২ লক্ষ ১১ হাজার ১৭৮-এ। অ্যাক্সিস ব্যাঙ্কের কর্মীর সংখ্যাও ৩১০০ কমেছে, বর্তমান কর্মী সংখ্যা ১ লক্ষ ১ হাজার ৩০০। কোটাক মাহিন্দ্রার কর্মী সংখ্যাও ১২৬৯ কমে ৭৪ হাজার ৫৪-এ পৌঁছেছে।
খুলছে নতুন ব্রাঞ্চ-
ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টরা জানিয়েছেন, এই বেসরকারি ব্যাঙ্কগুলির নতুন ব্রাঞ্চ বা শাখার সংখ্যা বাড়লেও কর্মীর সংখ্যা কমছে। আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কের ৫২৮টি নতুন শাখা খুলেছে। এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক নতুন ২৩৪টি শাখা খুলেছে। অ্যাক্সিস ব্যাঙ্কও নতুন করে প্রায় ৪০০ শাখা খুলেছে। কোটাক মাহিন্দ্রা ব্যাঙ্ক নতুন ১২৮টি শাখা খুলেছে।
নতুন ব্রাঞ্চ খুললে কর্মী ছাঁটাই কেন?
ব্যাঙ্ক গুলির তরফে জানানো হয়েছে, আগের মতো আর ব্রাঞ্চ নেই। তাদের কাজ বদলেছে। বর্তমানে অনলাইনেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ, যেমন অ্যাকাউন্ট খোলা, ঋণ দেওয়া, ফিক্সড ডিপোজিট করার মতো পরিষেবাগুলি দেওয়া হচ্ছে। তবে এখনও ব্যাঙ্কে রিলেশনশিপ ম্যানেজার, সেলস স্টাফ, ওয়েলথ অ্যাডভাইসর ও স্পেশালিস্টের প্রয়োজন।সেই কারণেই ব্যাঙ্কে কোনও কর্মী চাকরি ছাড়লে, তার বদলে নতুন কর্মী নিয়োগ তুলনামূলকভাবে কম হচ্ছে।
