Anil Ambani: ১৮১৬ কোটি টাকার প্রতারণা! কেন্দ্রই আনল অভিযোগ, অম্বানীর বিরুদ্ধে FIR দায়ের করল CBI
EPFO: সিবিআই-এর এফআইআরে উল্লেখ করা হয়েছে যে ২০১৩-২০১৪ অর্থবর্ষে রিলায়েন্স ক্যাপিটালের ‘সিকিয়র্ড নন-কনভার্টিবল ডিবেঞ্চার’-এ ২,৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিল ইপিএফও। ২০২৩-২৪ সালে তা ম্যাচুওর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে পাওনা অর্থ মেটাতে ব্যর্থ হয় রিলায়েন্স ক্যাপিটাল।

মুম্বই: অম্বানীর বিরুদ্ধে মামলা। রিলায়েন্স ক্যাপিটাল লিমিটেড ও এর প্রাক্তন চেয়ারম্যান অনিল অম্বানী (Anil Ambani)-র বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR) দায়ের করল সিবিআই (CBI)। এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশনের (EPFO) ১৮১৬.২২ কোটি টাকা ক্ষতি হওয়ার কারণেই রিলায়েন্সের এই সংস্থা ও অনিল অম্বানীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।
গত ২১ জুলাই কেন্দ্রীয় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রকের তরফে রিলায়েন্স ক্যাপিটাল ও অনিল অম্বানীর বিরুদ্ধে প্রতারণা, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র ও ইপিএফও-র ক্ষতি করে দেওয়ার অভিযোগ জানানো হয়। এদিকে, অনিল অম্বানী তাঁর মুখপাত্রের মাধ্যমে জানিয়েছেন যে কোনও ধরনের অপরাধ করেননি তিনি।
সিবিআই-এর এফআইআরে উল্লেখ করা হয়েছে যে ২০১৩-২০১৪ অর্থবর্ষে রিলায়েন্স ক্যাপিটালের ‘সিকিয়র্ড নন-কনভার্টিবল ডিবেঞ্চার’-এ ২,৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিল ইপিএফও। ২০২৩-২৪ সালে তা ম্যাচুওর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে পাওনা অর্থ মেটাতে ব্যর্থ হয় রিলায়েন্স ক্যাপিটাল। এরপরেই ইপিএফও অভিযোগ জানায়।
পরে ন্যাশনাল কোম্পানি ল ট্রাইব্যুনাল-এর মাধ্যমে ২০২৪ সালে ইপিএফও ১,৪৯২ কোটি টাকা ফেরত পায়। তবে মূল অঙ্কের ১,০০৭ কোটি টাকা এবং সুদের ৮০৯ কোটি টাকা, মোট ১,৮১৬ কোটি টাকা বকেয়া থেকে যায়। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের কাছ থেকে ২০১৯ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে আরসিএলের প্রতারণামূলক লেনদেনের খবর পাওয়ার পরই শ্রম মন্ত্রকের তরফে অভিযোগ দায়ের করা হয়।
এই অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরই অনিল অম্বানীর মুখপাত্র বলেন, “সিবিআই যে এফআইআর দায়ের করেছে, তা রিলায়েন্স ক্যাপিটাল লিমিটেডের বিরুদ্ধে। অনিল অম্বানী ২০০৫ সাল থেকে ২০২১ সালের নভেম্বর পর্যন্ত রিলায়েন্স ক্যাপিটাল লিমিটেডের নন-এগজেকিউটিভ ডিরেক্টর/চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া এই বোর্ড বাতিল করে দেয় এবং প্রশাসক নিয়োগ করে।”
