Gig Workers Insurance: নিখরচায় হবে চিকিৎসা, ক্যাব ড্রাইভার-ডেলিভারি পার্টনারদের জন্য বড় উদ্যোগ কেন্দ্রের
ESIC Insurance Coverage: যে কোম্পানিতে গিগ ওয়ার্কাররা কর্মরত, সেই কোম্পানি এবং সরকারের মধ্যে অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা হবে। প্ল্যাটফর্ম কোম্পানি এবং ই-শ্রম পোর্টালের তথ্যের মাধ্যমে কর্মী রেজিস্ট্রেশন করা হবে, যাতে যোগ্য ব্যক্তিরা সরাসরি সুবিধা পান।

নয়া দিল্লি: দেশের অর্থনীতির একটা বড় অংশ হয়ে উঠছে গিগ ওয়ার্কাররা (Gig Workers)। গিগ ইকোনমি বাড়ছে ক্রমশ। এতে জড়িয়ে রয়েছেন লক্ষ লক্ষ কর্মী। তাদের জন্যই এবার মিলল সুখবর। এবার তাদেরও স্বাস্থ্যবিমা (Health Insurance) থাকবে। পাবেন অ্যাক্সিডেন্টাল কভারেজ (Accidental Coverage) বা ক্লেম। কীভাবে জানেন?
এমপ্লয়িজ স্টেট ইনস্যুরেন্স কর্পোরেশন (ESIC) এবার গিগ এবং প্ল্যাটফর্ম ওয়ার্কারদের তাদের সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে, ফুড ডেলিভারি পার্টনার থেকে শুরু করে ক্যাব চালক, অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কর্মরত ফ্রিল্যান্সার এবং অন্যান্য গিগ কর্মীরাও স্বাস্থ্য বিমা এবং সামাজিক সুরক্ষার সুবিধাগুলি গ্রহণ করতে পারবেন।
সরকার এবং ইএসআইসি (ESIC) গিগ কর্মীরা যাতে সংগঠিত খাতের কর্মচারীদের মতো একই সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা পান, তা নিশ্চিত করতে এই লক্ষ্যে কাজ করছে। এই উদ্যোগের মধ্যে অসংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীদের চিকিৎসা, দুর্ঘটনা বিমা, মাতৃত্বকালীন সুবিধা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
ভারতে অনলাইন ফুড ডেলিভারি, ই-কমার্স, ক্যাব পরিষেবা এবং অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের বৃদ্ধি যত হচ্ছে, তার সঙ্গে সঙ্গে গিগ ওয়ার্কারদের সংখ্যাও ক্রমাগত বাড়ছে। বর্তমানে দেশে প্রায় ১ কোটি গিগ এবং প্ল্যাটফর্ম ওয়ার্কার রয়েছে। আগামী কয়েক বছরেই এই সংখ্যা আড়াই কোটিতে পৌঁছাবে বলে অনুমান। এই ক্রমবর্ধমান সংখ্যার কথা মাথায় রেখে, সরকার এই অসংগঠিত খাতের কর্মীদের জন্য একটি শক্তিশালী সামাজিক সুরক্ষা কাঠামো গড়ে তুলতে চাইছে।
জানা গিয়েছে, যে কোম্পানিতে গিগ ওয়ার্কাররা কর্মরত, সেই কোম্পানি এবং সরকারের মধ্যে অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা হবে। প্ল্যাটফর্ম কোম্পানি এবং ই-শ্রম পোর্টালের তথ্যের মাধ্যমে কর্মী রেজিস্ট্রেশন করা হবে, যাতে যোগ্য ব্যক্তিরা সরাসরি সুবিধা পান।
তবে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের আগে বেশ কিছু বিষয় সমাধান করা প্রয়োজন। এর মধ্যে সবথেকে বড় প্রশ্ন হল, কোন ধরনের গিগ কর্মীরা এই সুবিধার আওতাভুক্ত হবেন তা নির্ধারণ করা। এছাড়া ফান্ডের কাঠামো কেমন হবে এবং বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে কর্মরত কর্মীদের কীভাবে সুবিধা প্রদান করা হবে, তা নিয়েও বেশ কিছু প্রশ্ন রয়ে গিয়েছে।
এই প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে, দেশের লক্ষ লক্ষ গিগ ও প্ল্যাটফর্ম কর্মী সংগঠিত খাতের সমান সামাজিক সুরক্ষা ও সুবিধা পাবেন। এর ফলে তাদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা জোরদার হবে এবং গিগ অর্থনীতি নতুন গতি পাবে।
