৪-৫ টাকা বাড়তে পারে পেট্রোল-ডিজেল! LPG-তেও লাগবে বিরাট ধাক্কা, কতদিনে ঘোষণা হবে?
Petrol-Diesel price hike India: ইরান-আমেরিকার মধ্য়ে সংঘর্ষবিরতি চললেও, তাদের টানাপোড়েনের কারণে তেল ও জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হতে পারে, এমনটাই আশঙ্কা। আবার হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় তেল-এলপিজি এসে পৌঁছতে পারছে না। সেই কারণেই সাম্প্রতিক সময়ে ক্রুড তেলের দাম বেড়েছে।

নয়া দিল্লি: মাসের প্রথমদিনেই লেগেছে ধাক্কা। ১৯ কেজির বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারে(Commercial LPG Cylinder)-র দাম প্রায় ১ হাজার টাকা বেড়েছে। বেড়েছে অটো এলপিজি(Auto LPG)-র দামও। তবে এখানেই কি শেষ? নাকি মূল্যবৃদ্ধির আরও কোপ পড়তে চলেছে? বাণিজ্যিক এলপিজির পর এবার কি গৃহস্থের বাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজি সিলিন্ডারের দামও বেড়ে যাবে? কী বলছে সরকার?
কোনও বিবৃতি না দেওয়া হলেও, সরকারি সূত্রে খবর, আরও চাপ বাড়তে চলেছে। বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের পর এবার গৃহস্থের বাড়িতে ব্যবহৃত ১৪.২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দামও বাড়তে চলেছে (LPG Cylinder Price Hike)। পাশাপাশি পেট্রোল-ডিজেলের দামও (Petrol-Diesel Price Hike) বাড়তে চলেছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রুড তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং পশ্চিম এশিয়ায় এখনও টানাপোড়েন চলার কারণেই এলপিজি ও জ্বালানির দাম বাড়তে চলেছে বলে সরকারি সূত্রে খবর।
কত টাকা দাম বাড়বে?
শোনা যাচ্ছে, পেট্রোল ও ডিজেলের দাম লিটার প্রতি ৪ থেকে ৫ টাকা করে বাড়তে পারে। অন্যদিকে, বাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৪০ থেকে ৫০ টাকা বাড়তে পারে। যদি সরকারের ছাড়পত্র মেলে, তাহলে প্রায় ৪ বছর পর পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়বে ভারতে। ২০২২ সালে শেষবার দাম বেড়েছিল পেট্রোল-ডিজেলের।
প্রসঙ্গত, আগেই দাবি করা হয়েছিল যে ইরান-আমেরিকার সংঘাত যদি না থামে, তাহলে এরপরে জ্বালানির দাম বাড়াতে বাধ্য হবে সরকার। অয়েল মার্কেটিং সংস্থাগুলির উপরে ক্রমাগত চাপ তৈরি হওয়ায়, সরকারকে এলপিজি ও পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হতে পারে।
ইরান-আমেরিকার মধ্য়ে সংঘর্ষবিরতি চললেও, তাদের টানাপোড়েনের কারণে তেল ও জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হতে পারে, এমনটাই আশঙ্কা। আবার হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় তেল-এলপিজি এসে পৌঁছতে পারছে না। সেই কারণেই সাম্প্রতিক সময়ে ক্রুড তেলের দাম বেড়েছে।
কবে দাম বাড়বে?
ইন্ডিয়া টুডে-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, সরকারি সূত্র বলছে আগামী ৫-৭ দিনের মধ্যেই এলপিজি সিলিন্ডার ও পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হতে পারে। এখনও পর্যন্ত কেন্দ্র চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং বিশ্ব বাজারে এর প্রভাব পর্যালোচনা করেই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
মধ্যবিত্তের উপরে কী প্রভাব?
এলপিজির দাম বাড়লে যেমন গৃহস্থের উপরে চাপ তৈরি হবে, একইভাবে পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়লে বাস-ট্য়াক্সির ভাড়া বাড়বে। আমদানি খরচ বাড়ায় সামগ্রিকভাবে অত্যাবশ্যকীয় সমস্ত পণ্যেরই দাম বাড়বে।
