How to Stop Spam Calls: সারাদিন স্প্যাম কলের জ্বালায় অতিষ্ঠ? কীভাবে মুক্তি পাবেন, জেনে নিন…
How to Stop Spam Calls: ২০২১ সালে ট্রুকলারের সমীক্ষায় জানা যায় যে, দেশের প্রায় ৬৮ শতাংশ জনগণই প্রতিদিন তিনটি বা তার বেশি স্প্য়াম কল পেয়ে থাকেন।

কলকাতা: কাজের মাঝেই ঘনঘন বেজে ওঠে ফোন। মিটিং চলাকালীনও ফোন বাজায় বিরক্ত বস। প্রায়ই প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় যে, এত ঘনঘন কে ফোন করে? কিন্তু তাঁদের বোঝাবেন কী করে যে আপনার চেনা-জানা কারোর ফোন নয়, স্প্যাম কলের জ্বালায় আপনি জর্জরিত। এই অভিজ্ঞতা কিন্তু আপনার একার নয়, দেশ জুড়ে লক্ষাধিক মানুষ প্রতিদিন এমন স্প্যাম কল (Spam Calls) পেয়ে থাকেন। এই জ্বালা থেকে মুক্তির কী কোনও উপায় নেই?
সম্প্রতি একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, বিশ্বে সবথেকে বেশি স্প্যাম কল হয় ব্রাজিলে (Brazil)। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পেরু, তারপর ইউক্রেন। স্প্যাম কলের তালিকায় চতুর্থ স্থানেই নাম রয়েছে ভারতের (India)। ২০২১ সালে ট্রুকলারের সমীক্ষায় জানা যায় যে, দেশের প্রায় ৬৮ শতাংশ জনগণই প্রতিদিন তিনটি বা তার বেশি স্প্য়াম কল পেয়ে থাকেন। দেশে প্রতিদিন গড়ে ৬ লক্ষ ৬৪ হাজারটি এবং প্রতি ঘণ্টায় গড়ে ২৭ হাজারটি স্প্যাম কল পেয়ে থাকেন।
স্প্যাম কল থেকে নিস্তার পেতে অনেকেই ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ বা ‘ডিএনডি’ পরিষেবা গ্রহণ করেন। কিন্তু সাম্প্রতিক তথ্যে জানা গিয়েছে, ডিএনডি পরিষেবা গ্রহণ করার পরও ৯৫ শতাংশ মানুষই স্প্য়াম কল পেয়ে থাকেন। মাত্র ৫ শতাংশ মানুষ এই নিত্যদিনের যন্ত্রণা থেকে দূরে থাকেন।
স্প্যাম কল নিয়ে এত চিন্তা কেন?
‘স্প্য়াম’ নামটির মধ্যেই এর অর্থ লুকিয়ে রয়েছে। যাবতীয় প্রতারণামূলক ফোন কলকেই স্প্যাম কল বলা হয়। বাড়ি, গাড়ির জন্য ঋণ থেকে শুরু করে ক্রেডিট কার্ড, চাকরির প্রলোভন, স্পা বা অন্যান্য পরিষেবা দেওয়ার নামে এই প্রতারণামূলক ফোন কলগুলি করা হয় এবং চোখের নিমেষেই আপনার মোবাইলে থাকা যাবতীয় তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হয়।
স্প্যাম কল থেকে বাঁচার উপায়-
TRAI-র তরফে একাধিকবার স্প্যাম কলগুলি বন্ধ করার জন্য নানা প্রচেষ্টা করা হলেও, কোনও কার্যকর সমাধানসূত্র পাওয়া যায়নি। তবে এই ধরনের প্রতারণা থেকে বাঁচতে কিছু পরামর্শ দিয়েছে এই কেন্দ্রীয় সংস্থা।
১. ফোন ধরবেন না- স্প্যাম কলগুলি মূলত সাধারণ নম্বরের থেকে কিছুটা আলাদা হয়। যেমন +১৪০০, +৩৩। এই ধরনের নম্বর থেকে ফোন এলে, তা যথাসম্ভব এড়িয়ে যাওয়ারই পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যদি ভুল করে ফোন রিসিভ করে ফেলেন, তবে একটিও শব্দ খরচ না করেই ফোন কেটে দিন।
২. ডিএনডি পরিষেবা- সর্বদা সুরক্ষা দিতে না পারলেও, নিজের ফোন ও ব্যক্তিগত নথিকে যথাসাধ্য সুরক্ষিত রাখতে ডিএনডি পরিষেবা গ্রহণ করতে পারেন।
৩. ট্রুকলারের মতো অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার- ট্রুকলারের মতো অ্যাপ থাকলে, ফোন আসার সঙ্গে সঙ্গেই যিনি ফোন করছেন বা যে নামে নম্বরটি রেজিস্টার করা হয়েছে, তা ফুটে ওঠে। অচেনা অজানা নম্বর থেকে ফোন এলেও এই অ্যাপের মাধ্যমে আপনি স্প্য়াম কল থেকে সতর্ক হতে পারেন।
