
নয়া দিল্লি: ট্রেনে তো কম-বেশি সকলেই যাতায়াত করেন, তবে রেলের এমন অনেক নিয়ম ও সুযোগ-সুবিধা আছে, যা সম্পর্কে অনেকেই জানেন না। ভারতীয় রেলে (Indian Railways) যাতায়াতের ক্ষেত্রে কনফার্ম টিকিটই ভরসা। যদি হঠাৎ করে বা শেষ মুহূর্তে পরিকল্পনা হয়, তাহলে তখন তৎকাল টিকিট কাটতে হয়। তবে অনেকেই জানেন না, এই সব ছাড়াও রেলের আরও একটা কোটা ব্যবস্থা রয়েছে। এটি হল ইমার্জেন্সি কোটা (Emergency Quota)। কারা এই কোটা বা বিশেষ সংরক্ষণ ব্যবস্থায় টিকিট কাটতে পারেন? কখনই বা এই সুবিধা পাওয়া যায়?
রেল মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় রেলওয়েতে ইমার্জেন্সি কোটা রাখা হয়েছে অত্যন্ত জরুরি ভিত্তিতে ভ্রমণের প্রয়োজনে। উচ্চ পদস্থ আধিকারিক যেমন কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রী, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বা কোনও রাজ্যের হাইকোর্টের বিচারক, সাংসদরা এই কোটায় টিকিট কেটে যাতায়াত করতে পারেন। এছাড়া অন্যান্য ইমার্জেন্সি যেমন পরিবারে কারোর মৃত্যু, অসুস্থতা বা চাকরির ইন্টারভিউয়ের জন্যও ইমার্জেন্সি কোটায় টিকিট পাওয়া যায়।
কেউ ইমার্জেন্সি কোটায় আবেদন করলে, রেল নিয়ম মাফিক তাকে সিটের ব্যবস্থা করে দেয়। কতটা ইমার্জেন্সি, তার উপরে ভিত্তি করেই আবেদন গ্রহণ করা হয়। সম্প্রতিই ভারতীয় রেলওয়ে ইমার্জেন্সি কোটাতে কনফার্ম টিকিটের আবেদনের ক্ষেত্রে নিয়ম আরও কঠোর করেছে। যাত্রার অন্তত একদিন আগে লিখিত আবেদন করতে হবে।
ইমার্জেন্সি কোটাতে আবেদনের জন্য বিস্তারিত আবেদনের বর্ণনা করে অর্থাৎ কী ইমার্জেন্সি আছে, সেটি ব্যাখ্যা করে ফর্মাল অ্য়াপ্লিকেশন করতে হবে চিফ কমার্শিয়াল ম্য়ানেজার বা সিনিয়র ডিভিশনাল কমার্শিয়াল ম্যানেজারের কাছে আবেদন করতে হবে।