ইরান যুদ্ধের আঁচ পড়ছে বেডরুমেও, কন্ডোম পাওয়া যাবে না আর?
Birth Control: ভারতে প্রতি বছর প্রায় ৪ বিলিয়ন বা ৪০০ কোটি ইউনিট কন্ডোম উৎপাদন করা হয়। প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকার বিরাট শিল্প এটা। এক মাস ধরে চলা যুদ্ধের জেরে এবার চাপে পড়ছে কন্ডোম প্রস্তুতকারকরা। যুদ্ধের কারণে ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে কন্ডোম তৈরি।

নয়া দিল্লি: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের জেরে প্রভাবিত হচ্ছে গোটা বিশ্বই। তীব্র হচ্ছে জ্বালানি সঙ্কট। দাম বাড়ছে এলপিজি থেকে শুরু করে জ্বালানি ও তেলের। বিশেষ করে ভারতের মতো দেশ, যারা তেল ও জ্বালানির ৮০ শতাংশই আমদানি করে, তারা চরম সমস্যার মুখে পড়েছে। রান্নাঘর পর্যন্ত আঁচ পৌঁছাচ্ছিল যুদ্ধের। এবার সেই আঁচ বেডরুমেও পৌঁছে গেল। কীভাবে জানেন?
এক মাস ধরে চলা যুদ্ধের জেরে এবার চাপে পড়ছে কন্ডোম প্রস্তুতকারকরা। যুদ্ধের কারণে ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে কন্ডোম তৈরি। ভারতে প্রতি বছর প্রায় ৪ বিলিয়ন বা ৪০০ কোটি ইউনিট কন্ডোম উৎপাদন করা হয়। প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকার বিরাট শিল্প এটা। তবে যুদ্ধের জেরে পেট্রোকেমিক্যাল সরবরাহ ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হচ্ছে। কন্ডোম তৈরির কাঁচামালে টান পড়ছে। তার প্রভাব পড়ছে কন্ডোম উৎপাদনেও।
কন্ডোমে লুব্রিক্যান্ট হিসাবে ব্যবহার করা হয় সিলিকন অয়েল। ল্যাটেক্স যাতে ছিঁড়ে না যায়, তার জন্য দরকার অ্য়ামোনিয়া। এই দুই কাঁচামালেরই ঘাটতি তৈরি হয়েছে। অ্যামোনিয়ার দাম ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ বাড়তে চলেছে। এছাড়া অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল সহ অন্যান্য প্য়াকেজিং উপকরণের দামও বাড়ছে। এর জেরে কন্ডোম উৎপাদনে প্রভাব পড়বে। দাম বাড়তে পারে কন্ডোমের।
বড় বড় কন্ডোম প্রস্তুতকারক সংস্থা যেমন এইচএলএল লাইফকেয়ার, ম্যানকাইন্ড ফার্মা ও কিউপিড সংস্থা প্রবল চাপের মুখে পড়েছে। বিগত এক মাসে ম্যানকাইন্ড ফার্মার শেয়ার ৭ শতাংশ কমেছে। মানিকন্ট্রোলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পেট্রোকেমিক্যাল ইউনিটগুলোর কাঁচামাল ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পেতে পারে, যার ফলে সরবরাহ আরও সীমিত হবে।
