Milk Crisis : যুদ্ধের কোপ! আর মিলবে না দুধ? গ্যাস সংকটের মধ্যেই বড় অশনি সংকেত?
ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন রাজ্যে দুধ সরবরাহে ভাঁটা পড়তে শুরু করেছে। এক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশেষ করে মহারাষ্ট্রে নাকি সবথেকে বেশি প্রভাব পড়ছে। কী কারণ? দুধের সঙ্গে তো আর হরমুজ়ের কোথাও কোনও সম্পর্ক নেই। ঠিক সম্পর্ক নেই বললেও চলবে না। হরমুজ় বন্ধ থাকার কারণে গ্যাস সংকট। আর এই গ্যাসের কারণেই দুধের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

মুম্বই : মধ্যবিত্ত পরিবারের কাছে দুধ অত্যাবশ্যকীয় পণ্য। শুধু মধ্যবিত্ত বললে ভুল হবে। অনেকেরই দুধ ছাড়া চলে না। কিন্তু, এবার কি দুধ সরবরাহ বন্ধ হতে চলেছে? আর কি দুধ মিলবে না ? পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের প্রভাব ইতিমধ্যেই বিশ্ববাণিজ্যে পড়তে শুরু করেছে। একাধিক পণ্যের দাম বেড়েছে। আবার কিছু পণ্যের দাম কমেছে। আমদানি-রপ্তানির উপর নির্ভর করে পণ্যের দাম বেড়েছে, কমেছে। হরমুজ় প্রণালী বন্ধ থাকায় ভারতে গ্যাস, তেল আমদানি বন্ধ হয়েছে। এবার সেই কোপ নাকি পড়তে চলেছে ডেয়ারি ইন্ডাস্ট্রিতেও।
ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন রাজ্যে দুধ সরবরাহে ভাঁটা পড়তে শুরু করেছে। এক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশেষ করে মহারাষ্ট্রে নাকি সবথেকে বেশি প্রভাব পড়ছে। কী কারণ? দুধের সঙ্গে তো আর হরমুজ়ের কোথাও কোনও সম্পর্ক নেই। ঠিক সম্পর্ক নেই বললেও চলবে না। হরমুজ় বন্ধ থাকার কারণে গ্যাস সংকট। আর এই গ্যাসের কারণেই দুধের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আসলে গ্যাস ও জ্বালানির ঘাটতির জেরে দুধের প্যাকেট তৈরি হচ্ছে না। কার্টুনের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। প্যাকেট ও কার্টুন তৈরি করে এমন কারখানাগুলি জানাচ্ছে, তাদের কাছে পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ নেই । তাই, প্যাকেট ও কার্টুন উৎপাদনে সমস্যা দেখা দিয়েছে।
এদিকে, বিভিন্ন রেস্তরাঁ, হোটেলে দুধের চাহিদা কমেছে। ডেয়ারি শিল্পে ক্ষতি হচ্ছে। দুধ শুধু মধ্য়বিত্ত পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় নয়, বাণিজ্যিক ক্ষেত্রেও বিভিন্ন, হোটেল, রেস্তরাঁতে দুধের প্রয়োজন হয়। তবে, এলপিজি সরবরাহের ঘাটতির কারণে অনেক হোটেল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। কোথাও আবার মেনুতে কোপ পড়েছে। ফলস্বরূপ, স্থানীয় ডায়েরিগুলিকে কম দামে মহিষ এবং গরুর দুধ বিক্রি করতে বাধ্য করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। গ্যাস সরবরাহ যদি স্বাভাবিক না হয়, তাহলে আগামী ১০ দিনের মধ্যে বড় সঙ্কটের মুখে পড়তে চলেছে ডেয়ারি শিল্প। শুধু মহারাষ্ট্র নয়, ডেয়ারি শিল্পে এই সঙ্কট ধীরে ধীরে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়তে পারে। ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে বাংলাও।
যদিও, কেন্দ্র জানিয়ে দিয়েছে, গ্যাস সংকটের পরিস্থিতি থাকলেও এখনই উদ্বেগের কিছু নেই। দেশের অভ্যন্তরে এলপিজি উৎপাদন বেড়েছে। এছাড়া, হরমুজ দিয়ে ভারতে আসছে এলপিজি বোঝাই দু’টি ট্যাঙ্কার। প্রায় ৯২ হাজার মেট্রিক টনের বেশি গ্যাস রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যা সংকট পরিস্থিতিতে ভারতের জন্য় উদ্বেগের বলা যেতে পারে।
