RBI Rules on Digital Fraud: ডিজিটাল প্রতারণায় টাকা খোয়া গেলে ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত পাবেন ক্ষতিপূরণ! নতুন নিয়ম আনছে RBI
Digital Fraud: আগামী ১ জানুয়ারি, ২০২৭ সাল থেকে নতুন নিয়ম চালু হচ্ছে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এবার থেকে ডিজিটাল প্রতারণার শিকার হওয়া ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ দেবে। ডিজিটাল প্রতারণায় যত টাকা খোয়া যাবে, তার ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ পাওয়া যাবে।

নয়া দিল্লি: কখনও কাস্টমার কেয়ারের নম্বর থেকে ফোন, কখনও আবার লিঙ্ক- এভাবেই ছড়াচ্ছে ডিজিটাল প্রতারণার (Digital Fraud) জাল। প্রবীণ নাগরিকদেরই মূলত ডিজিটাল প্রতারণার নিশানা বানানো হয়। তাদের ব্যাঙ্কের ডিটেইল নিয়ে বা তাদের নানা অছিলায় ভুলিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয় অ্যাকাউন্ট থেকে। অনেক ক্ষেত্রেই অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কেটে যাওয়ার পর লোকজন বুঝতে পারেন যে তিনি ডিজিটাল প্রতারণার শিকার হয়েছেন। টাকাও ফেরত পান না। তবে এবার ডিজিটাল প্রতারণা নিয়ে বড় পদক্ষেপ করল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া (Reserve Bank of India)। এবার থেকে ক্ষতি বা খোয়া যাওয়া অর্থের ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত বা ২৫ হাজার টাকা, যেটি কম হবে, সেই অর্থ ক্ষতিপূরণ হিসাবে পাওয়া যাবে।
আগামী ১ জানুয়ারি, ২০২৭ সাল থেকে নতুন নিয়ম চালু হচ্ছে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এবার থেকে ডিজিটাল প্রতারণার শিকার হওয়া ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ দেবে। ডিজিটাল প্রতারণায় যত টাকা খোয়া যাবে, তার ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ পাওয়া যাবে।
জানা গিয়েছে, আপাতত এই নিয়ম এক বছরের জন্য কার্যকর থাকবে। ডিজিটাল জালিয়াতির কারণে গ্রাহকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা খোয়া গেলে, অভিযোগের ক্ষেত্রে গ্রাহকের দায় প্রমাণের দায়িত্বও আরবিআই ব্যাঙ্ক গুলিকে দিয়েছে।
কত টাকা ক্ষতিপূরণ পেতে পারেন?
সাইবার অপরাধের বা প্রতারণায় যদি ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষতি হয় বা প্রতারিত হন, তাহলে ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে। ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৮৫ শতাংশ বা ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত, যেটি কম, তা দেওয়া হবে। তবে এটি জীবনে একবারই দেওয়া হবে। প্রতিটি সাইবার জালিয়াতির ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।
উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনও ব্যক্তি ৪০ হাজার টাকা হারান, তাহলে এর ৮৫ শতাংশ হল ৩৪ হাজার টাকা। আরবিআই ক্ষতিপূরণের সর্বোচ্চ সীমা ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করেছে। এক্ষেত্রে ব্যাঙ্ক ৮৫ শতাংশ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বদলে ২৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। যদি ব্যাঙ্ক থেকে ১০ হাজার টাকা খোয়া যায়, তবে ৮৫ শতাংশ, অর্থাৎ ৮,৫০০ টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে পাবেন।
ক্ষতিপূরণ কে দেবে?
আরবিআই ব্যাঙ্কগুলোকেই ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দায়িত্ব দিয়েছে। গ্রাহকের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করবে ব্যাঙ্ক। টাকা উদ্ধার করার পর ক্ষতিপূরণের পরিমাণ গণনা করে, সেই টাকা অ্যাকাউন্টে জমা দিতে হবে। ব্যাঙ্কগুলি এই ক্ষতিপূরণ দিলেও, তা ব্যাঙ্ক এবং আরবিআই-এর মধ্যে ভাগ করে নেওয়া হবে।
বিশেষ শর্ত-
ডিজিটাল প্রতারণায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য গ্রাহককে প্রতারণার পাঁচ দিনের মধ্যে ব্যাঙ্কে অভিযোগ করতে হবে। এছাড়াও, ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম রিপোর্টিং পোর্টাল বা ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম হেল্পলাইন ১৯৩০-এ অভিযোগ জানাতে হবে।
