
ফেব্রুয়ারির ১ তারিখ নিয়ম মেনেই বাজেট পেশ করতে চলেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। আর সেই কারণেই বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন এবারের বাজেটে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে শিক্ষার বিস্তার নিয়ে কিছু থাকবে। আর এই বিষয়ে দিশা দেখাচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা–নির্ভর প্ল্যাটফর্মের বিস্তার ও ভোক্তাদের বদলে যাওয়া প্রত্যাশার মতো দুটো ক্ষেত্র।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে ভাষা শিক্ষায় বড় পরিবর্তনের কথা বলছেন SpeakX.ai–এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও অর্পিত মিত্তলl। তাঁর মতে, ২০২৫ সালে তেলুগু, তামিল, মারাঠি ও বাংলাভাষী অঞ্চলে লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী ইংরেজি দক্ষতা বাড়াতে এআই টুল ব্যবহার করেছেন।
প্রত্যাশা বেশ কিছুটা স্পষ্ট। ডিজিটাল শিক্ষায় জোর, মানসম্মত আঞ্চলিক বিভিন্ন স্বাদের কন্টেন্ট তৈরি ও দূরবর্তী অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগের ঘাটতি দূর করা। অনলাইন স্কিল-বিল্ডিংয়ে সরকারি উৎসাহ চাইছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সেক্টর। যাতে কর্মসংস্থানের ফাঁক কমে।
ডিজিটাল বিজ্ঞাপন ক্ষেত্রেও বাজেট গুরুত্বপূর্ণ। এক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, কর কাঠামো সহজ হলে ও হাতে থাকা অর্থের পরিমাণ বাড়লে ডিজিটাল খরচও বাড়বে তাল মিলিয়ে। এতে ই-কমার্স, স্থানীয় পরিষেবা ও নতুন অনলাইন বাজারে চাহিদা জোরদার হবে। ২০২৬ সালের বাজেটে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে ডিজিটাল শিক্ষা, করের স্বচ্ছতা ও পরিকাঠামোয় বিনিয়োগের মাধ্যমে তাকে শক্তিশালী করে তোলা, এই তিন ক্ষেত্রে সঠিক ভাবে খরচই দেশের আসল দক্ষতা ও ডিজিটাল অর্থনীতিকে শক্ত করবে।