Malda: ‘প্ররোচনায় পা দেবেন না’, সিএএ শংসাপত্র পেয়েই মোদী-শাহের প্রশংসায় মালদহের বাসিন্দা
CAA certificate: গত বছরের অগস্টে তিনি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন জানিয়ে সত্যরঞ্জন বলেন, "১৯৮৮ সালে ভারতে আসি। বাংলাদেশে অত্যাচারিত হয়ে এদেশে এসেছি। এখন নাগরিকত্ব পেয়ে ভয়-ভীতি মুক্ত হলাম। আমার গ্রামে অনেকে আবেদন করেছেন। আমি শংসাপত্র পাওয়ার পর অনেকে আবেদন করবেন বলে জানিয়েছেন। এসআইআর-র ভয়-ভীতিকে অগ্রাহ্য করে নাগরিকত্বের জন্য উদ্বাস্তুদের আবেদন করতে আর্জি জানাই।"

মালদহ: এসআইআর নিয়ে উদ্বাস্তুদের একটা বড় অংশ আতঙ্কে। এরইমধ্যে সিএএ শংসাপত্র হাতে পেয়ে মুখে হাসি ফুটল মালদহের এক বাসিন্দার। ৩৮ বছর আগে বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসেন সত্যরঞ্জন বারুই নামে ওই ব্যক্তি। ভারতীয় নাগরিকত্বের শংসাপত্র হাতে পেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ধন্যবাদ জানালেন তিনি। একইসঙ্গে বাংলাদেশ থেকে আসা উদ্বাস্তুদের সিএএ-তে আবেদন করার জন্য আর্জি জানালেন। বাংলাদেশ থেকে আসা উদ্বাস্তুদের তাঁর বার্তা, ‘কারও প্ররোচনায় পা দেবেন না।’
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত হবিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বামনগোলা থানার চাঁদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ভুল্কিমারি গ্রামের বাসিন্দা সত্যরঞ্জন বারুই। বাংলাদেশের নির্যাতিত হিন্দু। ১৯৮৮ সালে উদ্বাস্তু হয়ে ভারতে আসেন। সিএএ আবেদন ফর্ম জমা দেওয়ার পর অবশেষে তিনি ভারতীয় নাগরিকত্বের পরিচয়পত্র পেয়েছেন। এই খবর জানা মাত্রই গ্রামের মানুষ তাঁর বাড়িতে আসেন। খবর পেয়ে হবিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক জুয়েল মুর্মুও সত্যরঞ্জন বারুইয়ের বাড়িতে আসেন। সত্যরঞ্জনের সঙ্গে দেখা করে তাঁকে ফুলের মালা পরিয়ে সংবর্ধনা দেন।
সিএএ শংসাপত্র পেয়ে নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহকে ধন্যবাদ জানান সত্যরঞ্জন। তিনি বলেন, “সিএএ-র মাধ্যমে নাগরিকত্ব পেয়ে নিজেকে ধন্য মনে করছি। আমি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে চির ঋণী। আমি উদ্বাস্তু সমাজের মানুষের কাছে আবেদন করব, সিএএ-তে আবেদন করে নাগরিকত্ব গ্রহণ করুন। কারও কথায়, প্ররোচনায় পা দেবেন না।” গত বছরের অগস্টে তিনি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন জানিয়ে সত্যরঞ্জন বলেন, “১৯৮৮ সালে ভারতে আসি। বাংলাদেশে অত্যাচারিত হয়ে এদেশে এসেছি। এখন নাগরিকত্ব পেয়ে ভয়-ভীতি মুক্ত হলাম। আমার গ্রামে অনেকে আবেদন করেছেন। আমি শংসাপত্র পাওয়ার পর অনেকে আবেদন করবেন বলে জানিয়েছেন। এসআইআর-র ভয়-ভীতিকে অগ্রাহ্য করে নাগরিকত্বের জন্য উদ্বাস্তুদের আবেদন করতে আর্জি জানাই।”
সত্যরঞ্জনের সিএএ শংসাপত্র পাওয়া নিয়ে মালদহ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ ঘোষের বক্তব্য, “আমরা এসআইআর-র বিপক্ষে নই। ২ মাসে যেভাবে এই প্রক্রিয়া শেষ করা হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে। আজকে একজন সিএএ সার্টিফিকেট পেলেন। একজন পেলে কিছু হবে না। আজকে বহু মানুষ সিএএ-তে আবেদন করেছে। তাঁরা সবাই পাবেন কি না, সেটাই দেখার।”
