ECI: এবার আবাসনে ভোটকেন্দ্র, বাংলা থেকে কমিশনে গেল তালিকা

Election Commission of India: আবাসনে ভোটকেন্দ্র নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কমিশনকে চিঠিও দিয়েছিলেন। কিন্তু, সেই আপত্তি উড়িয়েই আবাসনে ভোটকেন্দ্র করার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। তাদের যুক্তি, আবাসনে ভোটকেন্দ্র হলে ভোটের হার বাড়বে। অনেক বয়স্ক মানুষ ভোট দিতে উৎসাহী হবেন।

ECI: এবার আবাসনে ভোটকেন্দ্র, বাংলা থেকে কমিশনে গেল তালিকা
কতগুলি আবাসনে হবে ভোটকেন্দ্র?Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Feb 12, 2026 | 12:52 PM

নয়াদিল্লি: একদিকে চলছে এসআইআর প্রক্রিয়া। তার সঙ্গে বাংলায় ভোটের প্রস্তুতিও সারছে জাতীয় নির্বাচনব কমিশন। আর সেই ভোট প্রস্তুতিতেই বাংলায় আবাসনগুলিতে ভোটকেন্দ্র করা নিয়ে আরও একধাপ এগিয়ে গেল কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর মোট ৭৮টি আবাসনের তালিকা কমিশনে পাঠাল। এই আবাসনগুলিতে ভোটকেন্দ্র করা যেতে পারে বলে CEO দফতর জানিয়েছে।

বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়া শেষের পথে। প্রথমে ঠিক ছিল, ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে। কিন্তু, তা ১৪ দিন পিছিয়ে গিয়েছে। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি বাংলায় চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে বলে কমিশন জানিয়েছে। তারপরই ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হবে। কমিশনের তরফে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার তারিখ এখনও জানানো হয়নি। তবে সূত্রের খবর, আগামী ২ মার্চ বাংলায় ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে পারে কমিশন।

এই পরিস্থিতিতে এসআইআর-র চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগেই বাংলায় বুথ বিন্যাস তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। ২৫ ফেব্রুয়ারি সেই তালিকা প্রকাশ করা হবে। এখন বুথের সংখ্যা ৮৪ হাজার। এবার তা বেড়ে ৯৪ হাজার হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, খসড়া ভোটার তালিকায় ৫৮ লক্ষের নাম বাদ যাওয়ায় সেই সংখ্যা কমতে পারে বলে জানা গিয়েছে। আর এই বুথ বিন্যাসের তালিকা প্রকাশের সময়ই কতগুলি আবাসনে ভোটকেন্দ্র হবে, তা জানানো হবে।

কমিশনের এক আধিকারিক জানান, ৭৮টি আবাসনের তালিকা জমা পড়েছে। তার মধ্যে কতগুলি আবাসনে ভোটকেন্দ্র করা যেতে পারে, তা কমিশন বিবেচনা করে দেখবে।

যে আবাসনগুলিতে কমপক্ষে ৩০০ থেকে ৫০০ জন বসবাস করেন, এমন আবাসনের তালিকা জমা দেন কলকাতা উত্তর ও কলকাতা দক্ষিণ-সহ বাংলার সাতটি জেলার ডিইও। এখন কমিশন সবকিছু খতিয়ে দেখার পর ডিইও-দের জানাবে, কোন আবাসনগুলিতে ভোটকেন্দ্র হবে। সেইমতো প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেবে কমিশন।

প্রসঙ্গত, আবাসনে ভোটকেন্দ্র নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কমিশনকে চিঠিও দিয়েছিলেন। কিন্তু, সেই আপত্তি উড়িয়েই আবাসনে ভোটকেন্দ্র করার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। তাদের যুক্তি, আবাসনে ভোটকেন্দ্র হলে ভোটের হার বাড়বে। অনেক বয়স্ক মানুষ ভোট দিতে উৎসাহী হবেন।