Suvendu Adhikari: ‘একুশে খেলা হয়েছিল নন্দীগ্রামে’, কীসের বার্তা দিলেন শুভেন্দু?
Suvendu Adhikari on Khela habe: ছাব্বিশের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে তৃণমূল ও বিজেপির প্রার্থী কারা হবেন, তা নিয়ে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। কোনও দলই এখনও প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি। শুভেন্দুর এই মন্তব্যের পর জল্পনা বাড়ছে, তাহলে কি বিধানসভার বিরোধী দলনেতা-ই ফের প্রার্থী হবেন নন্দীগ্রামে?

নন্দীগ্রাম: একুশের নির্বাচনে সাড়া ফেলেছিল তৃণমূলের ‘খেলা হবে’ স্লোগান। দু’শোর বেশি আসনে জেতে তৃণমূল। ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে সেই ‘খেলা হবে’ স্লোগান নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছেন, এবারের খেলা হবে ‘ফাটাফাটি’। বিজেপিও যে এবার খেলবে, সেকথা বলেছেন মিঠুন চক্রবর্তী। এবার ‘খেলা হবে’ স্লোগান শোনা গেল বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গলায়। নিজের বিধানসভা কেন্দ্র নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে বলে দিলেন, “একুশে খেলা হয়েছিল নন্দীগ্রামে। আবার হবে।” শুভেন্দুর মুখে খেলা হবে স্লোগান শুনে কটাক্ষ করল রাজ্যের শাসকদল।
একুশের নির্বাচনে হাইভোল্টেজ নন্দীগ্রামে বিজেপির প্রার্থীর হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। আর তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছিলেন শাসকদলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সিপিএম প্রার্থী করেছিল মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। হাইভোল্টেজ এই কেন্দ্রে মূলত লড়াই হয়েছিল মমতা-শুভেন্দুর। আর হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে মমতাকে ১৯৫৬ ভোটে হারান শুভেন্দু। একুশের সেই নির্বাচনের ফলের কথাই শুক্রবার নন্দীগ্রামে গিয়ে মনে করালেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। গতকাল নন্দীগ্রামে একটি সরস্বতী পুজোর অনুষ্ঠানে এসে তিনি বলেন, “খেলা হবে। একুশের মতো খেলা হবে। একুশে খেলা হয়েছিল নন্দীগ্রামে। আবার হবে। খেলো তোমরা দেখতে থাকবে। দেখবি আর জ্বলবি, লুচির মতো ফুলবি।”
ছাব্বিশের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে তৃণমূল ও বিজেপির প্রার্থী কারা হবেন, তা নিয়ে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। কোনও দলই এখনও প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি। শুভেন্দুর এই মন্তব্যের পর জল্পনা বাড়ছে, তাহলে কি বিধানসভার বিরোধী দলনেতা-ই ফের প্রার্থী হবেন নন্দীগ্রামে?
এই নিয়ে জল্পনার মধ্যেই শুভেন্দুর মুখে ‘খেলা হবে’ স্লোগান নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়ল না ঘাসফুল শিবির। নন্দীগ্রামে তৃণমূলের কোর কমিটির সদস্য শেখ সুফিয়ান বলেন, “নন্দীগ্রাম-সহ পশ্চিমবঙ্গের মানুষ যেভাবে দিদির উন্নয়নের পাঁচালিকে মেনে নিয়েছেন এবং নন্দীগ্রামে সেবাশ্রমে যেভাবে হাজার হাজার মানুষ পরিষেবা পাচ্ছে, এগুলো দেখে শুভেন্দু অধিকারী হতাশ হয়ে গিয়েছেন। তাই দিদির খেলা হবে স্লোগানকেও শুভেন্দু অধিকারী ব্যবহার করা শুরু করেছেন। এর থেকেই বোঝা যায়, শুভেন্দু অস্তিত্বহীন হয়ে গিয়েছেন। আগামিদিনে বিজেপি নন্দীগ্রামে হারবে। ২০২৬ সালে তৃণমূল কংগ্রেস নন্দীগ্রামে ৩০ হাজার ভোটে জিতবে।”
