SIR in Bengal: হিয়ারিংয়ের লাইনে ৪ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে, বাড়িতে ফিরেই…

Man died allegedly due to SIR: মৃতের কন্যা বলেন, "শুনানিতে বাবাকে বলা হয়েছিল, আপনার সি ক্যাটেগরি। কী এই সি ক্যাটেগরি, তা নিয়ে শুনানিকেন্দ্রে কিছু বলা হয়নি। বাড়ি ফেরার ৫ মিনিট পরই বাবা অসুস্থ হয়ে পড়েন।" তড়িঘড়ি সিরাজউদ্দিনকে শ্রীরামপুর ওয়ালস্ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। রবিবার সকালে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। 

SIR in Bengal: হিয়ারিংয়ের লাইনে ৪ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে, বাড়িতে ফিরেই...
বাড়ি ফিরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন মহম্মদ সিরাজউদ্দিনImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Feb 01, 2026 | 10:17 PM

রিষড়া: হিয়ারিংয়ে ডাক পড়েছিল। গিয়েছিলেন। সেখানেই হিয়ারিংয়ের জন্য লাইনে দাঁড়াতে হয়েছিল। অভিযোগ, চারঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। তারপর বাড়ি ফিরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাসপাতালে নিয়ে গেলেও বাঁচানো যায়নি ওই ব্যক্তিকে। ঘটনাটি হুগলির রিষড়ার। মৃত ব্যক্তির নাম মহম্মদ সিরাজউদ্দিন (৬০)। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, এসআইআর-এ হিয়ারিংয়ের লাইনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়ানোর জেরেই অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হয়েছে সিরাজউদ্দিনের। ওই ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় কমিশনকে নিশানা করেছে তৃণমূল। মৃতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর।

রিষড়া পৌরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মহম্মদ সিরাজউদ্দিন এসআইআর-এ শুনানিতে ডাক পেয়েছিলেন। তাঁর ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে। তা সত্ত্বেও তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়।
রিষড়া পৌরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সাকির আলি ও মৃতের পরিবার জানান, শনিবার ছিল শুনানি। শ্রীরামপুরে গিয়েছিলেন সিরাজউদ্দিন। মৃতের পরিজনরা বলেন, হিয়ারিংয়ের জন্য চার ঘণ্টা লাইনে দাঁড়াতে হয়। বসতেও পাননি। বিকেলে বাড়ি ফিরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন।

মৃতের কন্যা বলেন, “শুনানিতে বাবাকে বলা হয়েছিল, আপনার সি ক্যাটেগরি। কী এই সি ক্যাটেগরি, তা নিয়ে শুনানিকেন্দ্রে কিছু বলা হয়নি। বাড়ি ফেরার ৫ মিনিট পরই বাবা অসুস্থ হয়ে পড়েন।” তড়িঘড়ি সিরাজউদ্দিনকে শ্রীরামপুর ওয়ালস্ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। রবিবার সকালে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।

ওই ব্যক্তির মৃত্যুতে কমিশনকে তোপ দেগে তৃণমূল কাউন্সিলর সাকির আলি বলেন, “সিরাজউদ্দিনের তিন মেয়ে, এক ছেলে। স্ত্রী রয়েছেন। এখন তাঁর পরিবারকে দেখবে কে? ওই পরিবারকে ২০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি কমিশনের কাছে।” তিনি আরও বলেন, “এসআইআর-র নামে হয়রানি চলছেই। প্রায় দেড়শো মানুষ মারা গিয়েছেন। এর দায় নিতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।”