AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Paschim Medinipur: গিয়েছিলেন উন্নয়নের পাঁচালি শোনাতে, ‘চোর, চোর’ স্লোগান শুনে ফিরলেন তৃণমূল বিধায়ক

Unnayaner Panchali: তবে ঘটনাটি নিয়ে কটাক্ষ করেছে গেরুয়া শিবির। তাদের বক্তব্য, নারায়ণগড়ের প্রকৃত তৃণমূল কর্মীরাও চাইছেন বাংলার সঙ্গে সঙ্গে নারায়ণগড়েও পরিবর্তন হোক। রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, "যাঁদের টাকা চুরি হয়েছে, তার মধ্যে অনেক তৃণমূল কর্মী রয়েছেন। যাঁরা টাকা চুরি করেছেন, তাঁরা সবাই তৃণমূল। এটা এখন সকলে জানেন। ফলে এই জিনিস আরও বাড়বে।"

Paschim Medinipur: গিয়েছিলেন উন্নয়নের পাঁচালি শোনাতে, 'চোর, চোর' স্লোগান শুনে ফিরলেন তৃণমূল বিধায়ক
তৃণমূল বিধায়কের গাড়ি ঘিরে 'চোর' স্লোগান দেন স্থানীয় বাসিন্দারাImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 24, 2026 | 2:45 PM
Share

পশ্চিম মেদিনীপুর: বাংলায় বিধানসভা আর একশো দিনও বাকি নেই। এই আবহে গ্রামে গ্রামে তৃণমূল সরকারের উন্নয়নের পাঁচালি শোনাচ্ছে শাসকদল। আর সেই উন্নয়নের পাঁচালি শোনাতে গিয়েই অস্বস্তিতে পড়লেন পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড়ের তৃণমূল বিধায়ক সূর্যকান্ত অট্ট। তাঁকে ঘিরে ‘চোর, চোর’ স্লোগান দেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিক্ষোভকারীদের অনেকের হাতে তৃণমূলের পতাকা ছিল। বিক্ষোভের মুখে গাড়িতে চেপে কোনওরকমে ঘটনাস্থল ছাড়েন বিধায়ক। তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে এই ঘটনা বলে অভিযোগ। এই নিয়ে শাসকদলকে বিঁধল গেরুয়া শিবির।

শনিবার বেলা বারোটা নাগাদ নারায়ণগড়ের কসবা এলাকায় কসবা কমিউনিটি হলে উন্নয়নের পাঁচালি কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়েছিলেন স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক সূর্যকান্ত অট্ট। সে সময় তাকে ঘিরে ধরে ‘চোর’ স্লোগান দেওয়া হয়। রীতিমতো তাড়া করা হয় বিধায়ককে। আর বিধায়ককে তাড়া করে ‘চোর, চোর’ স্লোগান দেন দলের কর্মীরাই।

প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, কসবা এলাকার স্থানীয় পুরানো তৃণমূল কর্মীদের বাদ দিয়েই উন্নয়নের পাঁচালি কর্মসূচির আয়োজন করেছিলেন বিধায়ক সূর্যকান্ত অট্ট। তিনি এলাকায় পৌঁছতেই সরব হন এলাকার তৃণমূল কর্মীরা। স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের তাড়া খেয়ে কার্যত এলাকা ছেড়ে চম্পট দেন বিধায়ক। ঘটনা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি বিধায়কের। শাসকদলও মুখ খোলেনি।

তবে ঘটনাটি নিয়ে কটাক্ষ করেছে গেরুয়া শিবির। তাদের বক্তব্য, নারায়ণগড়ের প্রকৃত তৃণমূল কর্মীরাও চাইছেন বাংলার সঙ্গে সঙ্গে নারায়ণগড়েও পরিবর্তন হোক। রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, “যাঁদের টাকা চুরি হয়েছে, তার মধ্যে অনেক তৃণমূল কর্মী রয়েছেন। যাঁরা টাকা চুরি করেছেন, তাঁরা সবাই তৃণমূল। এটা এখন সকলে জানেন। ফলে এই জিনিস আরও বাড়বে। এই সব বন্ধ করতে হলে তৃণমূলকে ক্ষমতা থেকে সরাতে হবে।”