SIR in Bengal: বাংলার এই দুই জেলার জন্য বদলে যেতে পারে SIR-এ লিঙ্কের নিয়ম, জানুন বিশদে

SIR hearing: বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR-র ক্ষেত্রে ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় বাবা মায়ের লিঙ্ক খোঁজা হচ্ছে। কিন্তু, শুনানিতে এক নতুন সমস্যা হয় দুই জেলা ঘিরে। বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ার ক্ষেত্রে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভোটারদের কোনও কাগজপত্র না থাকায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই সমস্যা হচ্ছে বলে জানান দুই জেলার জেলাশাসক।

SIR in Bengal: বাংলার এই দুই জেলার জন্য বদলে যেতে পারে SIR-এ লিঙ্কের নিয়ম, জানুন বিশদে
কমিশন কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকে নজর সবারImage Credit source: নিজস্ব চিত্র

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Jan 07, 2026 | 9:34 AM

কলকাতা: তাঁদের হিয়ারিংয়ে ডাকা হয়েছে। কিন্তু, জাতীয় নির্বাচন কমিশন যে তেরোটি কাগজপত্রের কথা বলেছে, তার কোনওটাই নেই তাঁদের। তাহলে কী হবে? নাম কি বাদ যাবে? এই নিয়ে জল্পনার মধ্যেই বাংলার দুই জেলার আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষকে নিয়ে কি অন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে? এসআইআর প্রক্রিয়ায় লিঙ্কের জন্য সন্তানরা বাবা-মার উপর নির্ভর করেন। তার উল্টো চিত্র দেখা যেতে পারে রাজ্যের বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ায়। এই দুই জেলার আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মানুষের লিঙ্কের জন্য ছেলেমেয়েদের বৈধ কাগজপত্রকে বিবেচনা করা হতে পারে। ছেলেমেয়ের কাগজপত্রকে শংসাপত্র হিসেবে বিবেচনা করা যায় কি না, তা জানতে চেয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনে বিশেষ রিপোর্ট পাঠাচ্ছেন বিশেষ পর্যবেক্ষক।

বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR-র ক্ষেত্রে ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় বাবা মায়ের লিঙ্ক খোঁজা হচ্ছে। কিন্তু, শুনানিতে এক নতুন সমস্যা হয় দুই জেলা ঘিরে। বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ার ক্ষেত্রে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভোটারদের কোনও কাগজপত্র না থাকায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই সমস্যা হচ্ছে বলে জানান দুই জেলার জেলাশাসক। আসল ঘটনা খতিয়ে দেখতে শুনানিতে উপস্থিত হন কমিশনের প্রতিনিধি। অদ্ভুতভাবে দেখা যায়, বহু আদিবাসীর তেরোটি ডকুমেন্টসের কিছুই নেই। অথচ তাঁদের সন্তানদের বেশ কিছু ডকুমেন্টস আছে। আদিবাসীদের বিশেষ কার্ড কিংবা বহু বছর সেখানে থাকার বৈধ শংসাপত্র সন্তানরা জোগাড় করেছেন।

এই উলটপুরাণ তাঁদের বাবা মায়েদের নাম তোলার ক্ষেত্রে কি বৈধ হিসেবে গণ্য করা হবে, আপাতত সেই প্রশ্ন রেখেই রিপোর্ট পাঠাচ্ছেন বিশেষ পর্যবেক্ষক। জানা গিয়েছে, বাঁকুড়ায় প্রায় ২৫,৯০০ আনম্যাপড ভোটার আছেন। পুরুলিয়াতেও আনম্যাপড ভোটারের সংখ্যা কয়েক হাজার। আপাতত তাঁদের বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশনে।