
গত ৭ মার্চই ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হয়েছে উত্তর প্রদেশে। এবারে ফলাফলের পালা। দেশের সবথেকে বড় রাজ্য হওয়ায়, উত্তর প্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের দিকে নজর রয়েছে গোটা দেশেরই। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই ছিল মূলত বিজেপি বনাম সমাজবাদী পার্টির মধ্যে। এছাড়াও কংগ্রেস, বহুজন সমাজ পার্টির মতো দলও নির্বাচনের ময়দানে নেমেছিল। বুথ ফেরত সমীক্ষায় বিজেপির দিকে পাল্লা ভারী হলেও, অন্তিম ফল জানা যাবে নির্বাচন কমিশনের ভোটগণনা ও শুনানির পরই। সকাল ৮টা থেকে শুরু হবে ৪০৩টি বিধানসভা আসনের ভোট গণনা। উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দেশের সবথেকে বড় রাজ্য হওয়ায়, বাসিন্দাদের জনমত থেকেই আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলেরও আঁচ পাওয়া যাবে। উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের যাবতীয় আপডেট দেখে নিন একনজরে-
দ্বিতীয় বারের জন্য সমাজবাদী পার্টির তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ আসন নিয়ে ক্ষমতা এসেছে বিজেপি। বিপুল জয়ের পর বিকেলেই লখনউয়ের বিজেপি সদর দফতরে পৌঁছে বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। “উত্তর প্রদেশের দিকে সকলের নজর ছিল। সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিপুল জয় পাওয়ার জন্য আমি মানুষকে ধন্যবাদ জানাই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বেই উত্তর প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, গোয়া ও মণিপুরে সরকার তৈরি হবে।” বলেন যোগী আদিত্যনাথ
তাঁর শ্বশুরমশাইয়ের নিজে হাতে তৈরি দল সমাজবাদী পার্টি এবারের নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পথে। ভোটের আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন মুলায়ম যাদবের ছোট বউমা অপর্ণা যাদব। উত্তর প্রদেশে বিজেপি জেতার পর তিনি জানিয়েছেন, “হিন্দু-মুসলিম-শিখ-ইসাই সবার সঙ্গেই রয়েছে বিজেপি। উত্তর প্রদেশের মানুুষ জাতপাত ও তোষণের রাজনীতিকে জবাব দিয়েছেন। আমরা জয় শ্রী রামের ওপর ভর করেই সরকার গঠন করব। এর থেকে ভাল সরকার আর হতে পারে না।”
নয়ডার বিপুল জন পেলেন বিজেপি প্রার্থী। নয়ডার বিজেপি প্রার্থী খোদ দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের পুত্র পঙ্কজ সিং। পঙ্কজ সিং নয়ডা কেন্দ্র থেকে ১ লক্ষ ৭৯ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছেন।
অখিলেশ যাদব আগের থেকে ভাল লড়াই করেছেন। উত্তর প্রদেশের ভোট নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে এমনটাই জানিয়েছেন, এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ার। পওয়ার মতে, নির্বাচনের এই ফলাফলে অখিলেশের কোনও ভুল নেই, তিনি একা বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করছেন। অখিলেশ যে ধাঁচের নেতা, তাতে এই ফলাফলে হতাশ হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই।
সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব আগেই বলেছেন যে, ফল এখনও চূড়ান্ত নয়। তারা এত সহজে হার মানবেন না। এবার ভোটগণনায় যাতে কারচুপি না হয়, তার জন্যদবীয় কর্মীদের বুথের সামনেই দাঁড়িয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হল।
উত্তর প্রদেশে বিজেপি ক্ষমতায় আসছে, এই খবর নিশ্চিত হতেই বিজয় উৎসব শুরু হল লখনউয়ে।
উত্তর প্রদেশে গেরুয়া ঝড়ে ধূলিসাৎ সমাজবাদী পার্টি সহ অন্যান্য দল। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ৪০৩টি আসনের মধ্যে ২৫৮ টি আসনেই এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। সমাজবাদী পার্টি এগিয়ে রয়েছে ১১২টি আসনে।
উত্তর প্রদেশের আগ্রায় বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন প্রাক্তন রাজ্যপাল বেবি রানি মৌর্য্য। নবম দফা ভোটগণনার পর তিনি এগিয়ে রয়েছেন ২৩ হাজার ৫৪৫ ভোটে।
সমাজবাদী পার্টির অন্যতম বিতর্কিত প্রার্থী আজম খান। তিনি রামপুর কেন্দ্র থেকে দাঁড়িয়েছিলেন। আপাতত তিনি এগিয়েই রয়েছেন।
সিরাথু কেন্দ্র থেকে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন উত্তর প্রদেশের উপ-মুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য্য। ভোট গণনার প্রথম চার ঘণ্টা পরে দেখা গিয়েছে, তিনি পিছিয়েই রয়েছেন।
দল দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও, জয় প্রায় নিশ্চিত অখিলেশ যাদবের। এদিন সকালেই তিনি লখনউয়ে দলীয় কার্যালয়ে আসেন। বাইরে সমর্থকদের বিশাল ভিড়ও দেখা যায়।
কারহল কেন্দ্র থেকে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন অখিলেশ যাদব। ৫ দফার গণনার পর তিনি ১৬ হাজার ৩০৮ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন তিনি।
গোরক্ষপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। এখনও অবধি ১৬ হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছেন তিনি।
৩০০-র বেশি আসনে জয়ী হবে বিজেপি, এটাই লক্ষ্যমাত্রা রেখেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। ভোট গণনা শুরু হওয়ার প্রথম তিন ঘণ্টাতেই লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি এসে গেল শাসকদল বিজেপি। এখনও অবধি ২৪৯ টি আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সমাজবাদী পার্টি, তারা ১৩১টি আসনে এগিয়ে রয়েছে।
উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে যে কেন্দ্রগুলির উপরে বিশেষ নজর ছিল, তার মধ্যে অন্যতম ছিল হাথরস ও লখিমপুর। একদিকে, হাথরসের ধর্ষণকাণ্ডে যেমন যোগী প্রশাসনের উপরে প্রশ্ন উঠেছিল, তেমনই আবার লখিমপুর খেরিতে গাড়ি চাপা পড়ে কৃষক মৃত্যু নিয়েও গোটা দেশে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। তবে ভোটগণনা শুরু হতেই দেখা গেল, এই দুই কেন্দ্রেই এগিয়ে রয়েছে বিজেপি।
দ্বিতীয় দফার ভোটগণনার পর ৯ হাজারেরও বেশি ভোটে এগিয়ে রয়েছেন সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব।
উত্তর প্রদেশের কারহাল আসনে এগিয়ে রয়েছেন সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বিএসপির প্রার্থী এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে বিজেপির প্রার্থী।
উত্তর প্রদেশে রায়বরেলী কেন্দ্রের প্রার্থী বিজেপি প্রার্থী অদিতি সিং আপাতত এগিয়ে।
উত্তর প্রদেশে থামছে না বিজেপির বিজয়রথ। ইতিমধ্যেই ম্যাজিক সংখ্যা পার করে ফেলেছে বিজেপি। ২২০টি আসনে এগিয়ে রয়েছে শাসক দল। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সমাজবাদী পার্টি। তারা আপাতত ১১৮টি আসনে এগিয়ে।
উত্তর প্রদেশে ক্রমশ বাড়ছে ভোটের ব্যবধান। এখনও অবধি ১৭৬ আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে সমাজবাদী পার্টি ৯৮টি আসনে এগিয়ে রয়েছে।
প্রথমবার বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি গোরক্ষপুর কেন্দ্র থেকে দাঁড়িয়েছেন। গণনার শুরুতেই তিনি বেশ বড় মার্জিনে এগিয়ে রয়েছেন।
এই প্রথমবার বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব। উত্তর প্রদেশের করহল কেন্দ্র থেকে তিনি প্রার্থী হয়েছিলেন। এদিনের গণনার শুরুতেই দেখা যায়, তিনি এগিয়ে রয়েছেন।
উত্তর প্রদেশে শুরু হয়েছে ভোট গণনা। শুরুতেই এগিয়ে রয়েছে শাসক দল বিজেপি। আপাতত ৩৫টি আসনে এগিয়ে রয়েছে গেরুয়া শিবির, সপা এগিয়ে রয়েছে ২৭টি আসনে।
আজ কিছুক্ষণ পর থেকেই শুরু হবে ভোটগণনা। ফল প্রকাশের আগেই লখনউয়ে চন্দ্রিকা দেবী মন্দি্রে পুজো দিলেন বিজেপি নেতা রাজেশ্বর সিং।
আর কিছুক্ষণ পরেই শুরু হবে ভোটগণনা। ইতিমধ্যেই গণনাকেন্দ্রগুলিকে ত্রি-স্তরীয় নিরাপত্তায় মুুড়ে ফেলা হয়েছে। বুথগুলিতে মোতায়েন রয়েছে সিএপিএফ, পিএসি ও পুলিশ।
আর কিছুক্ষণ পর থেকেই শুরু হবে ভোট গণনা। তার আগেই উত্তর প্রদেশ জুড়ে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।
উত্তর প্রদেশে বিগত ৫ বছর ধরে ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। এবারও তাদের লক্ষ্য গদি ধরে রাখা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে সামনে রেখেই নির্বাচনী প্রচার চালানো হয়েছে। বুথ ফেরত সমীক্ষাতেও দেখা গিয়েছে, পাল্লা ভারী বিজেপির দিকেই। ৩০০-রও বেশি আসন পেতে পারে বিজেপি।