‘রাজনীতি এখন বিনোদনের অংশ’, শহরে শুটিংয়ে এসে কী বললেন দিব্যেন্দু?
সম্প্রতি কলকাতা শহরে শুটিং করছিলেন অভিনেতা দিব্যেন্দু ভট্টাচার্য। কেমন লাগে শহরে ফিরে শুটিং করতে? দিব্যেন্দু বললেন, ''আমি কলকাতারই ছেলে। এখানে ফিরে এলেই একটা কমফর্ট জোনে চলে আসি। এবার আমরা একটা অন্যধারার ছবির শুটিং করছিলাম। বাংলা ভাষাতেই। এরচেয়ে বেশি কিছু এখনই বলতে পারব না।''

সম্প্রতি কলকাতা শহরে শুটিং করছিলেন অভিনেতা দিব্যেন্দু ভট্টাচার্য। কেমন লাগে শহরে ফিরে শুটিং করতে? দিব্যেন্দু বললেন, ”আমি কলকাতারই ছেলে। এখানে ফিরে এলেই একটা কমফর্ট জোনে চলে আসি। এবার আমরা একটা অন্যধারার ছবির শুটিং করছিলাম। বাংলা ভাষাতেই। এরচেয়ে বেশি কিছু এখনই বলতে পারব না।”
শহরের বিভিন্ন সিগনেচার লোকেশনে শুটিং করেছেন তিনি। স্টুডিয়োতে শুটিং করার সময়ে ‘নবীনা’ সিনেমা হলে সিনেমা দেখার স্মৃতি মাথাচাড়া দিচ্ছিল, সে কথা জানালেন। দিব্যেন্দু খাদ্যরসিক। তাই শহরে এসে কচুরি থেকে বিরিয়ানি, চেলো কাবাব এসবের কিছু খেতে ভোলেননি, সেটাও বললেন।
হিন্দি ছবি বা ওয়েব সিরিজের হাত ধরে তাঁর পরিচিতি দেশজুড়ে। কিন্তু বাংলা ছবিতে কম দেখা যায় কেন? দিব্যেন্দু বললেন, ”অনেক বাংলা ছবি করতে চাই। বাংলা ছবির পরিধি যদি বড় করতে পারি, সেটাই চাই।” আগে বাংলা ছবি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সম্মান কুড়োতে পারত। এখন ঘরেই সিনেমা হল ভরাতে সমস্যা হচ্ছে। তাই নিয়ে দিব্যেন্দুর কী মত? ”বাংলা ছবির পরিচালকরা, বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত থেকে সত্যজিত্ রায়, মৃণাল সেন, ঋত্বিক ঘটক থেকে ঋতুপর্ণ ঘোষ, ওঁরা বাংলা থেকেই এমন সব কাজ করেছেন, যা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃতি পেয়েছে। বাংলা ছবি আবার সেই সময়ে ফিরে আসুক, তেমনই চাইব”, বললেন অভিনেতা।
বিধানসভা নির্বাচনের মুখে শহরে রাজনীতির ছবি দেখে কী মনে হল? দিব্যেন্দু হেসে বললেন, ”রাজনীতি এখন বিনোদন। রাজনীতি ঘিরেও এমন সব কনটেন্ট হচ্ছে, যা মানুষকে বিনোদন দেয়। হোয়াই সো সিরিয়াস? ভোট দেওয়ার বাইরে, আমার আর কোনও রকম উচ্ছ্বাস নেই রাজনীতি নিয়ে। ভোট মুম্বই শহরে। দেশের ভালো হোক, সেটা অবশ্যই চাই।”
