AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

মার্কিন মুলুকে তনুশ্রীর প্রথম জামাইষষ্ঠী, জামাই আদরে কী কী প্ল্যান?

সাত সমুদ্র তেরো নদী পার করে সুদূর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এখন তাঁর সুখের সংসার। ফলে বিয়ের পর স্বামী সুজিতের প্রথম জামাইষষ্ঠীটা খোদ শাশুড়িমায়ের হাতের পঞ্চব্যঞ্জনে খাওয়ার উপায় নেই। তাতে কী! দূরত্বের দেওয়াল ভাঙতে মুশকিল আসান তো রয়েছেই। তাই এবার মার্কিন মুলুকেই বসছে তনুশ্রীর ‘ভার্চুয়াল’ জামাইষষ্ঠীর আসর।

মার্কিন মুলুকে তনুশ্রীর প্রথম জামাইষষ্ঠী, জামাই আদরে কী কী প্ল্যান?
| Updated on: Jun 19, 2026 | 8:24 PM
Share

শনিবারই বাঙালির ঘরে ঘরে জামাইষষ্ঠীর তোড়জোড়। আম, লিচু আর ইলিশ-খাসির গন্ধে ভরে যাবে চারদিক। তবে টলিউড অভিনেত্রী তনুশ্রী চক্রবর্তীর প্রথম জামাইষষ্ঠীটা কিন্তু একেবারেই অন্যরকম। সাত সমুদ্র তেরো নদী পার করে সুদূর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এখন তাঁর সুখের সংসার। ফলে বিয়ের পর স্বামী সুজিতের প্রথম জামাইষষ্ঠীটা খোদ শাশুড়িমায়ের হাতের পঞ্চব্যঞ্জনে খাওয়ার উপায় নেই। তাতে কী! দূরত্বের দেওয়াল ভাঙতে মুশকিল আসান তো রয়েছেই। তাই এবার মার্কিন মুলুকেই বসছে তনুশ্রীর ‘ভার্চুয়াল’ জামাইষষ্ঠীর আসর।

শাশুড়ি ও জামাইয়ের আদুরে সম্পর্কের এই বিশেষ দিনটি নিয়ে খোদ তনুশ্রী শোনালেন তাঁর মিষ্টি পরিকল্পনার কথা। অভিনেত্রী হাসতে হাসতে জানালেন, প্রতিদিন ফোনে মা-বাবার সঙ্গে তাঁর আর সুজিতের কথা হয়। পরশুই মা আক্ষেপ করে বলছিলেন, “আমার দুই মেয়ে, দুজনেই বাইরে থাকে। দুই জামাইয়ের কাউকেই আমি খাওয়াতে পারছি না!” জামাইষষ্ঠী তো আসলে শাশুড়ি আর জামাইয়ের মধ্যকার এক মধুর সমীকরণ। তাই তনুশ্রীর মা এবার মেয়েকেই এক গুরুদায়িত্ব সঁপে দিয়েছেন। মায়ের কড়া নির্দেশ, মেয়ে যেন নিজের হাতে রেঁধে সুজিতকে শাশুড়ির তরফ থেকে খাইয়ে দেয় এবং সেই সময় মাকে অবশ্যই ভিডিও কল করে। তবে বাদ সেধেছে সময়ের তফাত। তনুশ্রী রসিকতা করে মাকে মনে করিয়ে দিয়েছেন, আমেরিকায় যখন দুপুরের খাওয়ার সময়, কলকাতায় তখন গভীর রাত! তবে সময় মেপে ভিডিও কল হোক বা না হোক, জামাইয়ের জন্য বিশেষ কিছু রান্না বা স্পেশাল খাবারের বন্দোবস্ত যে হচ্ছে, তা কিন্তু টিভি নাইন বাংলাকে জানিয়ে দিয়েছেন তনুশ্রী।

বাঙালি খাবার খেতে সুজিতও ভীষণ ভালোবাসেন। তাই তিনিও এই দিনটি বেশ মিস করছেন। তবে তনুশ্রী আশাবাদী, আগামী বছর মা-বাবা তাঁর কাছে আমেরিকা আসবেন, আর তখনই সামনাসামনি জমিয়ে হবে সুজিতের আসল জামাইষষ্ঠী।

আমেরিকায় বসেও তনুশ্রীর মনে ভিড় করে আসছে ছোটবেলার জামাইষষ্ঠীর স্মৃতি। অভিনেত্রী স্মৃতিচারণ করে বললেন, “ছোটবেলায় মামার বাড়িতে জামাইষষ্ঠী হত। দিদুন আমার বাবা, মেসোদের খাওয়াতেন। তখন দেখতাম বাড়ি ভর্তি বড় বড় মিষ্টি, আম, লিচু, কাঁঠাল আসত। খাওয়ার সঙ্গে ওগুলো সুন্দর করে সাজিয়ে দেওয়া হত। আর সবচেয়ে আনন্দ হতো আমাদের মতো বাচ্চাদের, কারণ জামাইদের পাতের সেইসব লোভনীয় ফলের বড় একটা ভাগ আমরাও পেয়ে যেতাম! বেশ একটা স্পেশাল অনুভূতি হতো।”

ছোটবেলার সেই বড় মিষ্টি আর আম-লিচুর নস্টালজিয়াকে সঙ্গে নিয়েই এবার বিদেশের মাটিতে নতুন জীবনের প্রথম জামাইষষ্ঠী উদযাপন করতে চলেছেন তনুশ্রী। মায়ের হাতের ছোঁয়া সশরীরে না থাকলেও, ভালোবাসার আর আন্তরিকতার কমতি থাকছে না বিন্দুমাত্র।

তনুশ্রী চক্রবর্তী গত বছর ২৬ নভেম্বর, ২০২৫ সালে আমেরিকার আটলান্টায় কর্মরত আইটি ইঞ্জিনিয়ার সুজিত বসু-র সঙ্গে চুপিসারে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

Follow Us