Rekha and Raj Babbar: রেখার প্রেমে পড়েছিলেন রাজ বব্বর?
Relationship Story of Rekha and Raj Babbar: রাজ বব্বর ও রেখার পুরনো এক গুঞ্জনের কথা মনে করিয়ে দিয়ে রসিকতা করে বলেন, একসময় নাকি রাজ বব্বর ও রেখাকে একসঙ্গে রাস্তায় ‘ছুটতে’ দেখা গিয়েছিল। তবে সেটা ‘মর্নিং ওয়ার্ক, আফটারনুন ওয়ার্ক নাকি ইভনিং ওয়ার্ক’ তা কেউ জানে না।

বলিউড তারকাদের প্রেম-বিয়ে আর গুঞ্জন নিয়ে সাধারণ মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। আর তা যদি হয় বলিপাড়ার এভারগ্রিন বিউটি রেখা (Rekha)-কে নিয়ে, তবে তো কথাই নেই। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বাবা রাজ বব্বরের (Raj Babbar) সঙ্গে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী রেখার পুরনো প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে মজার ছলে উত্তর দিলেন অভিনেতা আর্য বব্বর (Arya Babbar)। তিনি সাফ জানান, তাঁর বাবা যদি রেখার প্রতি আকৃষ্ট হয়েও থাকেন, তবে তা অত্যন্ত স্বাভাবিক এবং মানবিক একটি বিষয়। কারণ, রেখা এতটাই সুন্দরী যে তাঁর প্রেমে না পড়াটাই অস্বাভাবিক।
ভিকি লালওয়ানির সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে আর্য বব্বরকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, রাজ বব্বর কি সত্যিই একসময় রেখার প্রতি দুর্বল ছিলেন? রাজ বব্বর ও রেখার পুরনো এক গুঞ্জনের কথা মনে করিয়ে দিয়ে রসিকতা করে বলেন, একসময় নাকি রাজ বব্বর ও রেখাকে একসঙ্গে রাস্তায় ‘ছুটতে’ দেখা গিয়েছিল। তবে সেটা ‘মর্নিং ওয়ার্ক, আফটারনুন ওয়ার্ক নাকি ইভনিং ওয়ার্ক’ তা কেউ জানে না।
এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে আর্য পুরো বিষয়টিকে বেশ মজার মোড়কে ঘুরিয়ে দেন। তিনি হেসে বলেন, “আপনার প্রশ্ন থেকেই বোঝা যাচ্ছে রেখাজি আর বাবার মধ্যে এক ধরনের জগিং বা দৌড়াদৌড়ি হয়েছিল। এটা কী প্রমাণ করে? এটাই প্রমাণ করে যে দুজনেই তখন দারুণ ফিট ছিলেন!”
সাংবাদিক যখন তাঁকে আরও একটু চাপ দেন, তখন রেখার সৌন্দর্য ও মোহের প্রশংসা করে আর্য বলেন, “এত সুন্দর একজন মহিলা, তাঁর প্রতি কে আকৃষ্ট হবেন না বলুন তো?” এই ধরনের অনুভূতি যে একেবারেই স্বাভাবিক এবং একে খাটো করে বা অপরাধ হিসেবে দেখার কিছু নেই, সেই ইঙ্গিত দিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, “তাই বাবা যদি তাঁর প্রতি আকর্ষণ বোধ করে থাকেন, তবে তা খুবই মানবিক। এতে অন্যায়ের কী আছে?”
তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অতিরিক্ত কাটাছেঁড়া করার মানসিকতাকেও উড়িয়ে দিয়েছেন আর্য বব্বর। তাঁর মতে, মানুষ প্রায়শই দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা বা গল্প শুনে নিজেদের মতো মনগড়া গল্প বানিয়ে নেয়। সাক্ষাৎকারের শেষে বেশ ফিলোসফিক্যাল বা দার্শনিক ভঙ্গিতে আর্য বলেন, “জীবনটা দারুণ। এগিয়ে চলো। নিজে স্ট্রেস নিও না, অন্যকে দাও।”
