গানের কথায় মেয়েদেরকে নিয়ে ‘অশ্লীল’ শব্দ, মহিলা কমিশনের তলবের মুখে বাদশা
গানে অত্যন্ত নিম্নমানের এবং আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। লিরিক্সে নারী ও নাবালকদের হীনভাবে উপস্থাপন বা অবজেক্টিফাই করা হয়েছে। চেয়ারপার্সন রেনু ভাটিয়া এই ঘটনায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে সেন্সর বোর্ডের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, "আমি নিজে তিন বছর ফিল্ম সেন্সর বোর্ডের সদস্য ছিলাম। আমার মাথায় আসছে না, এই ধরণের অশ্লীল শব্দ থাকা সত্ত্বেও একটি গান কীভাবে ছাড়পত্র পায়?"

ফের আইনি বিপাকে জনপ্রিয় মিউজিক স্টার বাদশা। তাঁর নতুন হরিয়ানভি গান ‘তেরি’-র লিরিক্সে কুরুচিকর এবং আপত্তিজনক শব্দ ব্যবহারের অভিযোগে তাঁকে সমন পাঠাল হরিয়ানা রাজ্য মহিলা কমিশন। কমিশনের দাবি, গানের কথাগুলো কেবল অশালীনই নয়, বরং তা সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ এবং নারীদের মর্যাদাহানি করেছে।
গত ১ মার্চ ২০২৬ নাগাদ গানটি মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই বিতর্ক দানা বাঁধতে শুরু করে। সংবাদসংস্থা এএনআই (ANI) জানিয়েছে, রাজ্য মহিলা কমিশন স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে (Suo Motu) এই অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে। ৬ মার্চ প্রেরিত এই সমন বাদশার আসল নাম অর্থাৎ ‘আদিত্য প্রতীক সিং সিসোদিয়া’র নামে জারি করা হয়েছে।
পানিপতের পুলিশ সুপারকে এই মর্মে একটি সরকারি নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, আগামী ১৩ মার্চ পানিপতে ডিসি অফিসের কনফারেন্স হলে শুনানির সময় বাদশার উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন রেনু ভাটিয়ার উপস্থিতিতে এই শুনানি চলবে।
পানিপতের ‘নারী তু নারায়ণী উত্থান সমিতি’-র সভাপতি সবিতা আর্য এবং ‘শিব আরতি ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন’-এর পরিচালক শিব কুমার এই অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁদের অভিযোগ,গানে অত্যন্ত নিম্নমানের এবং আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। লিরিক্সে নারী ও নাবালকদের হীনভাবে উপস্থাপন বা অবজেক্টিফাই করা হয়েছে। চেয়ারপার্সন রেনু ভাটিয়া এই ঘটনায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে সেন্সর বোর্ডের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, “আমি নিজে তিন বছর ফিল্ম সেন্সর বোর্ডের সদস্য ছিলাম। আমার মাথায় আসছে না, এই ধরণের অশ্লীল শব্দ থাকা সত্ত্বেও একটি গান কীভাবে ছাড়পত্র পায়? “আপাতত আগামী ১৩ মার্চের শুনানির দিকেই তাকিয়ে সবাই। গানের কথা নিয়ে বিতর্কের মুখে পড়ে বাদশা এখন কী সাফাই দেন, সেটাই দেখার।
