AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

‘আমার তো বয়ফ্রেন্ড ছিল…!’ স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হতেই মুখ খুললেন এষা দেওল

ভারত তাখতানির সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন করার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে নিজের পরিবারকে সবসময় পাশে পেয়েছেন এষা। দেওল পরিবার এই সিদ্ধান্তে তাঁকে পূর্ণ সমর্থন জুগিয়েছে। তবে বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে খুব বেশি খোলসা করতে চাননি অভিনেত্রী। তিনি বলেন, "বিষয়টি অত্যন্ত ব্যক্তিগত, দুজন মানুষের মধ্যকার ব্যাপার। আমরা যে পেশায় আছি, সেখানে সবকিছুই জনসাধারণের সামনে চলে আসে।

'আমার তো বয়ফ্রেন্ড ছিল...!' স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হতেই মুখ খুললেন এষা দেওল
| Updated on: Jun 26, 2026 | 2:11 PM
Share

ভরত তাখতানির সঙ্গে দীর্ঘ দাম্পত্যে ইতি টানার পর এবার নিজের ব্যক্তিগত জীবন ও প্রেম নিয়ে অকপট হেমা মালিনী-ধর্মেন্দ্র কন্যা এষা দেওল। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, বিচ্ছেদের পর তিনি তাঁর জীবনে ‘প্রেম এবং রোম্যান্স’ মারাত্মকভাবে মিস করছেন। একই সঙ্গে এই কঠিন সময়ে তাঁর পরিবার কীভাবে পাশে দাঁড়িয়েছিল, সে কথাও ভাগ করে নিয়েছেন তিনি।

কার্লি টেলেস (Curly Tales)-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের রোম্যান্টিক স্বভাবের কথা তুলে ধরে এষা বলেন, “আমার মনে হয় একজন মানুষের জীবনে প্রেম এবং রোম্যান্স সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা আমি এই মুহূর্তে মিস করছি। আমি ভীষণ রোম্যান্টিক থাকতে ভালোবাসি। আমি পুরোপুরি ‘রম-কম’ ঘরানার মানুষ। আমি প্রেমের গান শুনতে আর প্রেমের গল্প পড়তে দারুণ ভালোবাসি।”

তবে স্বামীর সঙ্গে এই বিচ্ছেদ কি প্রেমের প্রতি তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিয়েছে? এই প্রশ্নের জবাবে খনিকটা পরিণতভাবেই এষা জানান, “না, এই বিষয়গুলো কখনও বদলে যায় না। ব্রেকআপ তো হতেই পারে। অতীতেও আমার বয়ফ্রেন্ড ছিল, যাদের সঙ্গে আমার বিচ্ছেদ হয়েছে। এগুলো জীবনেরই অংশ, কিন্তু তার জন্য ভালোবাসার মূল ধারণাটাই বদলে যাবে, এমনটা নয়। আমরা সবাই তো হেমাজি এবং ধর্মেন্দ্র জি-র সেই নিঃশর্ত ভালোবাসা দেখেই বড় হয়েছি।”

ভারত তাখতানির সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন করার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে নিজের পরিবারকে সবসময় পাশে পেয়েছেন এষা। দেওল পরিবার এই সিদ্ধান্তে তাঁকে পূর্ণ সমর্থন জুগিয়েছে। তবে বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে খুব বেশি খোলসা করতে চাননি অভিনেত্রী। তিনি বলেন, “বিষয়টি অত্যন্ত ব্যক্তিগত, দুজন মানুষের মধ্যকার ব্যাপার। আমরা যে পেশায় আছি, সেখানে সবকিছুই জনসাধারণের সামনে চলে আসে। কিন্তু আমি বা ভরত কিংবা ওর পরিবার— কেউই ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব বেশি চর্চা পছন্দ করি না। তবে ওই পরিস্থিতিতে আমাদের বিষয়টি সামনে চলে আসে এবং এর সঙ্গে সন্তানরাও জড়িত ছিল। এগুলো জীবনের খুব সংবেদনশীল অধ্যায়, তাই প্রতিটি পদক্ষেপ খুব সাবধানে ফেলতে হয়।”

কেন আলাদা হলেন এষা এবং ভরত?

২০১২ সালে ব্যবসায়ী ভরত তাখতানির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন এষা দেওল। কিন্তু বিয়ের ১১ বছর পর, ২০২৪ সালের শুরুতে তাঁরা আকস্মিক বিচ্ছেদের ঘোষণা করেন। বিচ্ছেদের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ তাঁরা প্রকাশ্যে না আনলেও, একটি যৌথ বিবৃতি জারি করে জানিয়েছিলেন যে অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমেই তাঁরা আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সে সময় বিবৃতিতে তাঁরা বলেছিলেন, “আমরা পারস্পরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণভাবেই পথ আলাদা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের জীবনের এই পরিবর্তনের সময়েও আমাদের দুই সন্তানের সেরা ভবিষ্যৎ এবং কল্যাণই আমাদের কাছে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার পাবে। আমরা আশা করব এই সময়ে আমাদের গোপনীয়তাকে সম্মান জানানো হবে।” উল্লেখ্য, এষা ও ভারতের দুটি কন্যাসন্তান রয়েছে— রাধ্যা এবং মীরায়া।

Follow Us