নীলমকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন গোবিন্দা, পুরনো প্রেম নিয়ে কী বললেন ‘হিরো নম্বর ওয়ান’?
পর্দায় তাঁদের সেই জমজমাট কেমিস্ট্রি কি বাস্তবেও গড়িয়েছিল? দীর্ঘদিন পর সেই অম্ল-মধুর সম্পর্কের কথা স্বীকার করে নিলেন খোদ গোবিন্দা। সম্প্রতি সিদ্ধার্থ কানন-এর সঙ্গে এক আড্ডায় অভিনেতা অকপটে জানালেন, কেরিয়ারের শুরুতে নীলমের প্রতি এক তীব্র আকর্ষণ অনুভব করতেন তিনি।

নব্বইয়ের দশকের রুপালি পর্দায় গোবিন্দা এবং নীলম কোঠারির রসায়ন ছিল দর্শকদের চোখের আরাম। পর্দায় তাঁদের সেই জমজমাট কেমিস্ট্রি কি বাস্তবেও গড়িয়েছিল? দীর্ঘদিন পর সেই অম্ল-মধুর সম্পর্কের কথা স্বীকার করে নিলেন খোদ গোবিন্দা। সম্প্রতি সিদ্ধার্থ কানন-এর সঙ্গে এক আড্ডায় অভিনেতা অকপটে জানালেন, কেরিয়ারের শুরুতে নীলমের প্রতি এক তীব্র আকর্ষণ অনুভব করতেন তিনি।
নিজের মনের কথা শেয়ার করতে গিয়ে গোবিন্দা বলেন, “দেখুন, আমাদের মতো যারা গ্রাম্য পরিবেশ থেকে আসা যুবক ছিল, তাদের কাছে ফরসা বা সুন্দরী মেয়েরা একটু বেশিই আকর্ষণীয় ছিল। এই যে বিপরীত মেরুর আকর্ষণ, সেটা আমার ক্ষেত্রেও কাজ করেছিল। নীলম আর পাঁচজনের থেকে আলাদা ছিল, ভীষণ ভালো মেয়ে। ও দেখতে ঠিক যেন একটা পুতুলের মতো ছিল।”
গোবিন্দা স্মৃতিচারণ করে জানান যে, বড় পর্দায় নীলমকে দেখার পর তিনি কখনও ভাবেননি যে কোনোদিন তাঁর সঙ্গেই অভিনয় করার সুযোগ পাবেন। সেই সময়ের রোম্যান্স নিয়ে গোবিন্দা বলেন, “এখনকার মতো অ্যাফেয়ার তখন হতো না। আমরা চিৎকার-চেঁচামেচি করতাম ঠিকই, মনে হতো কিছু একটা চলছে। তখনকার প্রেম ছিল শুধু একে অপরের দিকে তাকিয়ে থাকা। সেই ভালো লাগা থেকেই আমরা কত ভালো কাজ করতে পেরেছি। আমাদের সব ছবি আর গানগুলো সুপারহিট হয়েছিল।”
আশির দশকের শেষ এবং নব্বইয়ের দশকের শুরুতে গোবিন্দা ও নীলম একের পর এক সফল ছবি উপহার দিয়েছেন দর্শকদের। তাঁদের উল্লেখযোগ্য ছবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, লাভ ৮৬ (Love 86), ইলজাম (Ilzaam), খুদগর্জ (Khudgarz), সিন্দুর (Sindoor), ফরজ কি জং (Farz Ki Jung)।
পুরনো কাসুন্দি ঘাটলেও গোবিন্দার কথায় স্পষ্ট যে, নীলমের সেই ‘ডল-লাইক’ সৌন্দর্য এবং ব্যক্তিত্ব আজও তাঁর মনে এক বিশেষ জায়গা জুড়ে আছে। তবে সেই আকর্ষণকে ছাপিয়ে তাঁদের পেশাদার বন্ধুত্বই শেষ পর্যন্ত জয়ী হয়েছে।
