হরমোনের ইনজেকশন নিয়েই কিশোরী থেকে লাস্যময়ী নারীতে রূপান্তরিত এই অভিনেত্রী? চেনেন তাঁকে?
Hansika Motwani: ছোট্ট দাঁত ভাঙা মিষ্টি মেয়েটা হঠাৎ একদিন কত বড় হয়ে গেল। হনসিকা মোটওয়ানি। তাঁর এই হঠাৎ বড় হওয়া নিয়ে নানা মুনিতে নানা মত পোষণ করেছেন। অনেকেরই ধারণা হনসিকা স্টেরয়েডস খেয়ে বড়সড় হয়েছেন। সত্যিটা ঠিক কী?

হৃত্বিক রোশনের কেরিয়ারের মাইলস্টোন ছবি ‘কই মিল গায়া’। সেই ছবি মুক্তি পায় ২০০৩ সালে। সেই সময় হনসিকার বয়স মেরেকেটে ১০। ছবিতে শিশুশিল্পীর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন হনসিকা। তার আগে ‘শাকালাকা বুমবুম’ ছবিতে অভিনয় করেন। সেখানেও তিনি শিশু শিল্পীই। হনসিকা অভিনয় করেছিলেন ‘কিউকি সাস ভি কভি বহু থি’ সিরিয়ালেও। বেশ জনপ্রিয় চাইল্ড আর্টিস্ট ছিলেন হনসিকা। তাঁকে অভিনয়ে নিয়ে এসেছিলেন বলিউড তারকা জুহি চাওলা। হনসিকার বাড়ির কাছেই থাকতেন তিনি। একদিন হনসিকার মাকে ডেকে জুহি বলেছিলেন, “আপনার মেয়ে চাইলে অভিনেত্রী হতে পারে।” জুহির পরামর্শ শুনেছিলেন হনসিকার অভিভাবকেরা এবং তাঁকে অভিনয় করতেও উদ্বুদ্ধ করেছিলেন।
তারপর হঠাৎই দেখা যায় বড় হয়ে গিয়েছেন হনসিকা। তাঁর চেহারা জুড়ে এক লাস্যময়ীকে আবিষ্কার করে গোটা দুনিয়া। কিন্তু হঠাৎ কীভাবে এত বড় হয়ে গেলেন হনসিকা? আজও সেই প্রশ্ন মানুষকে ভাবায়…
হিমেশ রেশমিয়ার ‘আপ কা সুরুর’-এ প্রথম প্রাপ্তবয়স্ক হনসিকাকে দেখে দর্শক। অনেকে নিজের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারেননি যে, সেই ছোট্ট মেয়েটা হনসিকা। কীভাবে এত কম সময়ে এমন পরিণতি ঘটে হনসিকার মধ্যে? অনেকে ধরেই নিয়েছিলেন বড়-বড় দেখতে লাগানোর জন্য নাকি হরমোনের ইনজেকশন নিয়েছিলেন হনসিকা।
এই নিয়ে হনসিকাও মুখ খোলেননি কোনওদিনই। অনেকের অনুমান, খুব তাড়াতাড়ি সিনেমায় হিরোইন হওয়ার জন্য ইনজেকশন নিয়েছিলেন হনসিকা। সত্যি-মিথ্যা কেউ জানেন না! জানেন কেবল হনসিকা এবং তাঁর পরিবার।
