AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

গোপনাঙ্গ ছোঁয়ার জন্য জোরজবরদস্তি! ভয়াবহ ঘটনার শিকার রণবীর সিং

সেই সময় রণবীরের মাথায় অনেক কিছু ঘুরছিল। তিনি ভেবেছিলেন লোকটাকে সজোরে ঘুষি মারবেন কিংবা চিৎকার করে সবাইকে জানিয়ে দেবেন। কিন্তু অদ্ভুতভাবে রণবীর নিজেকে শান্ত রাখেন। তিনি পুরো বিষয়টিকে একজন তৃতীয় ব্যক্তির চোখ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করতে শুরু করেন।

গোপনাঙ্গ ছোঁয়ার জন্য জোরজবরদস্তি! ভয়াবহ ঘটনার শিকার রণবীর সিং
| Updated on: Mar 27, 2026 | 2:46 PM
Share

রণবীর সিং- আজ এই নামটা শুনলে চোখের সামনে ভেসে ওঠে বক্স অফিসের ১০০০ কোটির ধামাকা। যাঁর অভিনীত ‘ধুরন্ধর ২’ মাত্র এক সপ্তাহেই বিশ্বজুড়ে ব্যবসার নয়া রেকর্ড গড়েছে। কিন্তু অভিনেতার এই সাফল্যের ঝকঝকে পর্দার আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে এক অন্ধকার অতীত। বলিউডের ‘পাওয়ার হাউস’ হিসেবে পরিচিত এই অভিনেতাকেও কেরিয়ারের শুরুতে লড়তে হয়েছে কাস্টিং কাউচের মতো নোংরা অভিজ্ঞতার সঙ্গে। সম্প্রতি নিজের সেই যন্ত্রণাদায়ক স্মৃতির কথা আবারও ভাগ করে নিয়েছেন অভিনেতা।

যশ রাজ ফিল্মসের হাত ধরে ২০১০ সালে বলিউডে পা রাখার অনেক আগের কথা। ইন্ডাস্ট্রিতে তখন পায়ের তলার জমি খুঁজছেন এক যুবক। সেই সময় এক নামী কাস্টিং এজেন্টের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন তিনি। রণবীরের কথায়, সেই ব্যক্তি পেশাদার আলোচনার মাঝেই অত্যন্ত কুরুচিকর আচরণ শুরু করেন। সেই এজেন্ট রণবীরকে সরাসরি প্রস্তাব দেন, “তোমাকে স্মার্ট আর সেক্সি হতে হবে। যারা স্মার্ট, তারাই এগোতে পারে।” এরপরই শুরু হয় আসল হেনস্থা।

রণবীর স্মৃতি হাতড়ে জানান, সেই ব্যক্তি তাঁকে নানাভাবে প্রলুব্ধ করার চেষ্টা করছিলেন। এক সময় তিনি সরাসরি শারীরিক হেনস্থার প্রস্তাব দিয়ে বসেন। রণবীর বলেন, “লোকটা আমার সঙ্গে দর কষাকষি শুরু করেছিল। বলেছিল— ঠিক আছে, আমরা অন্য কিছু করব না, শুধু আমাকে একবার ওটা ছুঁতে দাও। এমনকি শেষমেশ বলেছিল— ঠিক আছে, আমি শুধু দেখব।” এই কথাগুলো শুনে রীতিমতো স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলেন অভিনেতা। বিভিন্ন অশ্লীল ইঙ্গিত, যৌন হেনস্থা করে সেই এজেন্ট রণবীরকে সেখান থেকে চলে যেতে বাধ্য করেছিলেন।

সেই সময় রণবীরের মাথায় অনেক কিছু ঘুরছিল। তিনি ভেবেছিলেন লোকটাকে সজোরে ঘুষি মারবেন কিংবা চিৎকার করে সবাইকে জানিয়ে দেবেন। কিন্তু অদ্ভুতভাবে রণবীর নিজেকে শান্ত রাখেন। তিনি পুরো বিষয়টিকে একজন তৃতীয় ব্যক্তির চোখ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করতে শুরু করেন। রণবীরের কথায়, “আমি ভাবলাম, ভবিষ্যতে যদি কখনও আমাকে কোনও লম্পট কাস্টিং এজেন্টের চরিত্রে অভিনয় করতে হয়, তবে আমি এই লোকটাকেই অনুকরণ করব।” অর্থাৎ জীবনের সবচেয়ে খারাপ অভিজ্ঞতাকেও তিনি নিজের অভিনয়ের রসদ হিসেবে তুলে রেখেছিলেন।

সেই দিনের লড়াকু যুবক আজ বলিউডের সম্রাট। তাঁর সাম্প্রতিক ছবি ‘ধুরন্ধর ২’ বক্স অফিসে যে সুনামি এনেছে, তা এক কথায় অবিশ্বাস্য। মাত্র কয়েকদিনেই ১০০০ কোটির ক্লাব পেরিয়ে গিয়েছে এই সিনেমা। অথচ যে স্ট্রাগল পিরিয়ড পেরিয়ে তিনি আজ এখানে পৌঁছেছেন, তা নবাগতদের জন্য এক বড় শিক্ষা। রণবীর স্পষ্ট জানিয়েছেন, কাস্টিং কাউচ বলিউডের এক রূঢ় বাস্তব এবং তিনি নিজে এর ভুক্তভোগী।

Follow Us