মধুবালার চরিত্রে সারা অর্জুন, দিলীপ কুমার আর কিশোর কুমারের চরিত্রে কারা?
সূত্রের খবর, ছবিটি পরিচালনার দায়িত্বে থাকতে পারেন ‘ডার্লিংস’ খ্যাত পরিচালক জসমিত কে রিন। আর সবচেয়ে বড় চমক হল এই ছবির প্রযোজক হিসেবে নাম উঠে আসছে সঞ্জয় লীলা বনশালির। বনশালি মানেই রাজকীয় সেট আর নিখুঁত ফ্রেম। তবে সবাইকে অবাক করে দিয়ে ‘ভ্যারাইটি ইন্ডিয়া’র রিপোর্ট জানাচ্ছে, ছবিটি সিনেমা হলে মুক্তি পাওয়ার বদলে স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে আসবে। ২০২৬ সালের জুলাই মাস থেকেই এই বায়োপিকের শুটিং শুরু হওয়ার কথা।

বলিউডের চিরকালীন সৌন্দর্য আর রহস্যময়ী নারীর নাম মধুবালা। সেই কালজয়ী অভিনেত্রীর জীবন এবার উঠে আসতে চলেছে সিনেমার পর্দায়। গত কয়েক মাস ধরে তাঁর বায়োপিক নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে থাকলেও এবার এল বড়সড় আপডেট। শোনা যাচ্ছে, ‘ধুরন্ধর’ খ্যাত অভিনেত্রী সারা অর্জুনই হতে চলেছেন পর্দার মধুবালা। তবে এই সিনেমা নিয়ে যেমন উত্তেজনা রয়েছে, তেমনই দানা বেঁধেছে নতুন বিতর্ক। কারণ, বড় পর্দা নয়, এই হাই-প্রোফাইল ছবিটি সরাসরি মুক্তি পেতে চলেছে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে।
সূত্রের খবর, ছবিটি পরিচালনার দায়িত্বে থাকতে পারেন ‘ডার্লিংস’ খ্যাত পরিচালক জসমিত কে রিন। আর সবচেয়ে বড় চমক হল এই ছবির প্রযোজক হিসেবে নাম উঠে আসছে সঞ্জয় লীলা বনশালির। বনশালি মানেই রাজকীয় সেট আর নিখুঁত ফ্রেম। তবে সবাইকে অবাক করে দিয়ে ‘ভ্যারাইটি ইন্ডিয়া’র রিপোর্ট জানাচ্ছে, ছবিটি সিনেমা হলে মুক্তি পাওয়ার বদলে স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে আসবে। ২০২৬ সালের জুলাই মাস থেকেই এই বায়োপিকের শুটিং শুরু হওয়ার কথা।
কেন সারা অর্জুন?
মধুবালা হওয়ার দৌড়ে এর আগে কিয়ারা আডবাণী বা কল্যাণী প্রিয়দর্শনের মতো নামগুলো শোনা গিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অভিনেত্রী সারা অর্জুনের ওপরই ভরসা রাখছেন নির্মাতারা। যদিও নেটপাড়ার একাংশ এই কাস্টিং নিয়ে বেশ ক্ষুব্ধ। নেটিজেনদের মতে, সারার চেহারার সঙ্গে মধুবালার বিন্দুমাত্র মিল নেই, আবার কারও দাবি তিরিশের দশকের মধুবালাকে ফুটিয়ে তোলার জন্য সারাকে বড্ড ছোটো মনে হচ্ছে। তবে সারা কিন্তু দমে যাওয়ার পাত্রী নন। শোনা যাচ্ছে, এই চরিত্রের জন্য আমূল শারীরিক পরিবর্তনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।
দিলীপ কুমার আর কিশোর কুমার কারা হবেন?
মধুবালার জীবন মানেই সেখানে উঠে আসবে দিলীপ কুমার এবং কিশোর কুমারের প্রসঙ্গ। এই দুই কিংবদন্তি চরিত্রে কাকে দেখা যাবে, তা নিয়ে এখনও খোলসা করেননি নির্মাতারা। আপাতত দুই যোগ্য নায়কের সন্ধানে রয়েছেন তাঁরা। মধুবালার বর্ণময় কিন্তু বিষাদঘেরা জীবনকে পর্দায় ফুটিয়ে তোলা যে খুব একটা সহজ কাজ হবে না, তা বলাই বাহুল্য।
যদিও এখনও পর্যন্ত অফিশিয়াল কোনো ঘোষণা হয়নি, তবুও সারা অর্জুনকে ঘিরে যে আলোচনা শুরু হয়েছে, তাতেই বোঝা যাচ্ছে এই ছবি নিয়ে দর্শকদের প্রত্যাশা আকাশছোঁয়া। বিতর্ক আর জল্পনার ভিড়ে শেষ পর্যন্ত ‘ভ্যেনাস অফ ইন্ডিয়ান সিনেমা’কে পর্দায় কেমন লাগে, এখন সেটাই দেখার।
